kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১                       

‘ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের জন্য যা দরকার বাজেটে থাকবে’

আগামীতে কর না দিয়ে কেউ থাকতে পারবে না —অর্থমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ মে, ২০১৯ ১৩:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের জন্য যা দরকার বাজেটে থাকবে’

আগামী অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক খাতের উপযোগী যা দরকার তার সব থাকবে। শেয়ারবাজার নিয়েও বাজেটে কথা থাকবে। শুধু এ দুই খাত নয়, বরং সব খাত নিয়ে বাজেটে কথা থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গতকাল বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তবে বাজেট নিয়ে এখনই কোনো কিছু খোলাসা করতে রাজি নন মন্ত্রী। তাঁর ভাষায়, বাজেটের মজা পেতে হলে অপেক্ষা করতে হবে। এ সময় তিনি জানান, খেলাপি ঋণ পুনঃ তফসিলীকরণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক খুব শিগগির প্রজ্ঞাপন জারি করবে।

আগামী বাজেট অর্থমন্ত্রী হিসেবে আপনার জীবনের প্রথম বাজেট। এ বাজেটে কোন কোন খাতে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বাজেটের অগ্রাধিকার হচ্ছেন আপনি। আপনাকে অগ্রাধিকার দিয়েই বাজেট প্রণয়ন হবে। দেশের সব মানুষের জন্য বাজেট। দেশের যেন উন্নয়ন হয়, প্রত্যেকটি মানুষের যেন উপকারে আসে এবং প্রত্যেকটি খাত আরো বিকশিত করার মতো করে বাজেট দেব। তবে বাজেট সম্পর্কে এখনই কিছু বলব না। অপেক্ষা করেন। বাজেটের মজা পেতে হলে অপেক্ষা করতে হবে।’

বাজেটে ব্যাংকিং খাত ও শেয়ারবাজারের জন্য কী থাকছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাতের জন্য যা দরকার সব থাকবে, শেয়ারবাজার নিয়েও বাজেটে কথা থাকবে।

তিনি বলেন, ‘এখনই বাজেট নিয়ে খোলাখুলি কথা বলার কিছু নেই। কারণ বাজেটে সবারই চাহিদা আছে। সবার চাহিদা পূরণ করতে আমরা চেষ্টা করব। তার পরও শতভাগ পূরণ কারা সম্ভব নয়। রাজস্ব আহরণ করতে হবে। তারপর প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, দুর্নীতি কমানো গেলে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় করা সম্ভব। এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ যা বলেছে সত্য কথা বলেছে। এ দেশে চার কোটি মধ্যম আয়ের মানুষ আছে। সেখানে ট্যাক্স দেয় পাঁচ লাখ। চার কোটি মানুষ ট্যাক্স দিলে আমাদের ট্যাক্স জিডিপির অনুপাত অনেক বেড়ে যেত। এখন এটা মাত্র ১০ শতাংশ। তবে আগামীতে কেউ ট্যাক্স না দিয়ে থাকতে পারবে না। যারা দিয়েছে তারা ট্যাক্স দেবে, যারা দেয়নি তারাও দেবে। এমন ব্যবস্থাই করা হবে।’ মন্ত্রী বলেন, বাজেট প্রণয়নে কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। বাস্তবায়নেই মূল চ্যালেঞ্জ। বাজেট ঘাটতি হবে ৫ শতাংশ। এটা গতবারও ছিল, এর আগেরবারও ছিল, এটা স্ট্যান্ডার্ড।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা