kalerkantho

সোমবার । ২০ মে ২০১৯। ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৪ রমজান ১৪৪০

এডিপিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সড়ক ও পরিবহন খাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ মে, ২০১৯ ১২:৩০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এডিপিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সড়ক ও পরিবহন খাতে

সড়ক পরিবহন খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) চূড়ান্ত করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার বর্ধিত সভায় দুই লাখ দুই হাজার ৭২১ কোটি টাকার এডিপি উপস্থাপন করে পরিকল্পনা কমিশন। তাতে সায় মেলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের। এবারই প্রথম দেশের এডিপির আকার দুই লাখ কোটি টাকা ছাড়াচ্ছে।

সভা শেষে তিনি জানান, আসছে অর্থবছরের জন্য দুই লাখ দুুই হাজার ৭২১ কোটি টাকার এডিপি চূড়ান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সময় পেলে আগামী সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভা হতে পারে। ওই সভায় এডিপির আকার তুলে ধরব। পরিকল্পনা কমিশন থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, প্রস্তাবিত এডিপির মধ্যে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে জোগান দেওয়া হবে এক লাখ ৩০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা। বাকি ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা আসবে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে। আসছে বাজেটে সড়ক ও পরিবহন খাতে সর্বোচ্চ ৫৩ হাজার কোটি টাকা রাখা হচ্ছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ হাজার ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে বিদ্যুৎ খাতের জন্য। তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ২৪ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা বা ১২ শতাংশ প্রস্তাব করা হয়েছে ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ খাতের জন্য এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ ১০.৫৫ শতাংশ বা ২১ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে শিক্ষা ও ধর্মীয় খাতের জন্য।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সকল খাতকেই আমরা সমান গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেছি। প্রধানমন্ত্রী যে কৌশলে ২০০৯ সাল থেকে অসম্ভব রকমের উন্নয়ন শুরু করেছেন, ওই কৌশল থেকে সরে আসার কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।’ তিনি বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা—এই চার-পাঁচটি ক্ষেত্রে আমরা ঘোরাফেরা করছি। কারণ এগুলো আমাদের ভালো ফল দিয়েছে।’

প্রকল্প বাস্তবায়ন ঠিক সময়ে করা বা দীর্ঘসূত্রতার চক্র ভাঙার নতুন কোনো পদক্ষেপ আছে কি না জানতে চাইলে এম এ মান্নান বলেন, ‘এই ধারা ভাঙতে চেষ্টা আমরা করেই যাচ্ছি। আইএমইডিকে আরো শক্তিশালী করা হবে। এমনকি আমাকেও আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্প পরিচালকদের অনেক স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয়, তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি গ্রামে থাকছে। আশা করি, বড় ফল পাবেন।’

মন্তব্য