kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

‘গ্রামের মানুষ ঋণ কম পাচ্ছে’

একক গ্রাহকের পেছনে ছুটছে একাধিক ব্যাংক

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ১০:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘গ্রামের মানুষ ঋণ কম পাচ্ছে’

গ্রামের মানুষ ঋণ কম পাচ্ছে। দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে একক গ্রাহককে বেশি বেশি ঋণ দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে একক গ্রাহককে একাধিক ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার প্রবণতা প্রায় ৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং কার্যক্রম নগরকেন্দ্রিক। যা ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)। তাদের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটরিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অফিসে ‘ক্রেডিট অপারেশনস অব ব্যাংকস’ শীর্ষক বার্ষিক পর্যালোচনা কর্মশালায় উপস্থাপিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং বিআইবিএমের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম।

ঋণবিষয়ক এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা। আয়োজনের উদ্দেশ্য বিশেশ্লষণের মধ্য দিয়ে ঢাকার বিআইবিএমে অনুষ্ঠানটি শুরু করেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবীব।

বিআইবিএমের কর্মশালাটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিস থেকে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের আঞ্চলিক পর্যায়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসের অডিটরিয়ামে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসের নির্বাহী পরিচালক আবু ফরাহ মো. নাছের। ঢাকা বিআইবিএম অডিটরিয়ামের অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ চৌধুরী, পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলী, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ প্রমুখ।

কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক এবং পরিচালক (প্রশাসন ও হিসাব এবং গবেষণা, উন্নয়ন এবং পরামর্শ) ড. প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জ্জী।

মন্তব্য