kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

উদ্যোক্তা

ইচ্ছা ও পরিশ্রমেই উদ্যোক্তা

শরিফ রনি    

৭ মার্চ, ২০১৯ ১১:৩৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইচ্ছা ও পরিশ্রমেই উদ্যোক্তা

হেলেনা জাহাঙ্গীর

প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন মানুষ উদ্যোক্তা হয়ে ওঠেন। এর ফলে তিনি একদিকে যেমন নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন করেন একই সঙ্গে বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন। পরোক্ষভাবে অনেক পরিবারের দায়িত্ব নেন। হেলেনা জাহাঙ্গীরও নিজের প্রতিষ্ঠানে কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে বহু পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি একাধারে নিট কনসার্ন প্রিন্টিং লিমিটেড, জয় অটো গার্মেন্টস লিমিটেড ও জেসি এমব্রয়ডারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে ভূমিকা পালন করছেন। তিনি দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের একজন পরিচালক। এ ছাড়া অনেক সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। এর বাইরে তিনি একজন লেখক। এরই মধ্যে তাঁর লেখা ১০টি বই বাজারে এসেছে। তিনি জয়যাত্রা টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান। কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি উদ্যোক্তা জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।

উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শৈশব থেকেই আমার চুপচাপ এক জায়গায় বসে থাকতে ভালো লাগত না। আমি কিছু না কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম। এ ছাড়া সব কিছুতে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পছন্দ করি। যেমন খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছি। আমি বিভিন্ন বিষয়ে বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা নিতে পছন্দ করি।’

তিনি বলেন, ‘আমার অন্যতম লক্ষ্য হলো সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা। মানুষের জন্য, দেশের জন্য কিছু রেখে যেতে চাই। একজন দায়িত্বশীল মানুষই উদ্যোক্তা হয়ে ওঠে।’ উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘যেমন একটা লোককে চাকরি দেওয়া মানে হলো তার পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া। ৩০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান করে দেওয়া মানে হলো ৩০ হাজার পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া।’

নারী উদ্যোক্তা হিসেবে সফলতার এই পর্যায়ে এসে পেছনের সময়টা কিভাবে মূল্যায়ন করবেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সফলতার জন্য যোদ্ধার মানসিকতা নিতে হয়। কাজকে এবাদত মনে করতে হয়। সততার সঙ্গে নিয়মমাফিক একাগ্রচিত্তে কাজ করলে সফলতা এমনিতেই কাছে চলে আসে। পরিশ্রমই ঠিক করে জীবনের কাঙ্ক্ষিত সফলতা। নারীদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য মেধা, যোগ্যতা আর শালীনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে নারীর অগ্রযাত্রায় কোনো কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছি। জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন থেকে উদ্যোগ নিয়েছি নারীদের বিনা সুদে ঋণ দেওয়া। অমি দেখেছি, গ্রামের অনেকে ব্যাংক কিংবা এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সুদ টানতে গিয়ে আর কিছু করতে পারেনি। সিএসআর থেকে কোনো ব্যাংক যদি বিনা সুদে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেয় তাহলে অনেক মানুষের জীবন বদতে যাবে। তাদের কাছ থেকে দোয়াও পাবে তারা।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা