kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১              

মধ্যপাড়া পাথর খনিতে উৎপাদন বেশি, বিক্রি কম

আবদুল কাদির, পার্বতীপুর (দিনাজপুর)   

১৪ জানুয়ারি, ২০১৯ ১২:২৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মধ্যপাড়া পাথর খনিতে উৎপাদন বেশি, বিক্রি কম

ফাইল ফটো

পার্বতীপুরে মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে পাথর উত্তোলন বৃদ্ধি পেলেও আশানুরূপ বিক্রি বাড়েনি। গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাথর বিক্রি হয়েছে সাত লাখ ৩৩ হাজার ২২ মেট্রিক টন। খনি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত রবিবার পর্যন্ত খনির ১১টি ইয়ার্ডে বিভিন্ন সাইজের পাথর মজুদের পরিমাণ চার লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পাথর বিক্রি হয়েছে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা এবং চলতি অর্থবছরে জুলাই-ডিসেম্বর পর্যন্ত পাথর বিক্রি হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকার।

পাথর খনির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জিটিসি প্রতিদিন পাথর উৎপাদন করছে প্রায় পাঁচ হাজার মেট্রিক টন। বিক্রিও বাড়ছে। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ খনি কর্তৃপক্ষকে পাথর পরিবহনে লোড নির্ধারণ করে দেওয়ায় অতিরিক্ত পরিবহন করার অনুমতি পাচ্ছে না ব্যবসায়ীরা। ফলে তাদের পরিবহন খরচ বাড়ছে। অন্যদিকে আমদানীকৃত পাথর ওভার লোড (অতিরিক্ত) নিয়ে পরিবহন করতে পারছে পাথর ব্যবসায়ীরা। এতে তাদের পরিবহন খরচ কমে যাচ্ছে। এ কারণে তারা খনির পাথর কেনার চেয়ে আমদানি করা পাথরের প্রতি আগ্রহী হচ্ছে।

খনি সূত্রে জানা গেছে, খনির উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং উৎপাদন কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) খনির দায়িত্বভার গ্রহণ করে খনির নতুন স্টোপ নির্মাণ (শিলা উৎপাদন ইউনিট) খনির উন্নয়ন এবং উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিদিন তিন শিফট পরিচালনা করে খনির উৎপাদন বৃদ্ধি করছে। জিটিসি মাসিক এক লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে গত বছরের ২৩ মার্চ খনির ৯ নম্বর স্টোপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

জিটিসির নির্বাহী পরিচালক জাবেদ সিদ্দিকী বলেন, খনিতে অর্ধ শতাধিক বিদেশি খনি বিশেষজ্ঞ, সাত শতাধিক খনি শ্রমিক, অর্ধশত দেশি প্রকৌশলীসহ দেড় শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। মাসিক পাথর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানোর ফলে জিটিসির কর্মরত খনি শ্রমিকদের প্রতি মাসে বেতন ও ওভারটাইমের সঙ্গে উৎপাদন বোনাসও প্রদান করা হচ্ছে।

মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাবেদ চৌধুরী বলেন, উৎপাদন ভালো হচ্ছে। কিন্তু বিক্রি আশানুরূপ নয়। তবে দেশের উন্নয়নমূলক কাজে আমাদের পাথরের চাহিদা ও বিক্রি বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেই সঙ্গে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী লোড ক্যাপাসিটি ফলো করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা