kalerkantho

ময়মনসিংহের নওমহল প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ   

২৮ জুন, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

ময়মনসিংহের নওমহল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বই বিক্রির পর ভ্যানে তুলে নেওয়া হচ্ছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

ময়মনসিংহের নওমহল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলে রাব্বী আল ফারুকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বই বিক্রি, শিক্ষিকাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অতিরিক্ত টাকা আদায়সহ নানা অভিযোগের তদন্ত হলেও প্রতিবেদন জমা দেওয়া হচ্ছে না।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন ঘটনাটি তদন্ত করেছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তিনি এখন দুর্নীতির বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে চাইছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিবছর বার্ষিক পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক বই সংগ্রহ করেন প্রধান শিক্ষক ফজলে রাব্বী আল ফারুক। এসব বই পরে বিক্রি করে দেন। তা ছাড়া তিনি স্কুলের শিক্ষিকাদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। এ কারণে কয়েকজন শিক্ষিকা এরই মধ্যে অন্যত্র বদলি হয়ে গেছেন। অতিরিক্ত টাকা নেওয়াসহ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকদেরও অভিযোগের অন্ত নেই। এসব বিষয় নিয়ে গত ১৫ মার্চ কালের কণ্ঠে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনটির বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও অবহিত রয়েছেন। কিন্তু এরপরেও কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেননি তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ব্যাপক দুর্নীতি চলছে। তাই দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের সঙ্গেই শিক্ষাকর্তাদের বেশি সখ্যতা। এ কারণে প্রধান শিক্ষক ফজলে রাব্বী আল ফারুকের বিরুদ্ধে তদন্ত হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) মোফাজ্জল হোসেন জানান, তিনি কিছু কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তাই তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বিলম্ব হচ্ছে। শিগগিরই তিনি এটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবেন।

মন্তব্য