kalerkantho

সোমবার । ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ ফাল্গুন ১৪২৬। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

‘এই লেখনি আমাদের স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২২:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘এই লেখনি আমাদের স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে’

শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের লেখা ‘অবর্ণনীয় নির্মমতার চিত্র : বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ও অন্যান্য’ বই এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ওপর বিচারপতির লেখা বই আমাদের বিচার বিভাগের জন্য গৌরবের। এই লেখনি আমাদের স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের জাজেস কর্ণারে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের পরিচালনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিবের পদমর্যাদায় থাকা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও মুক্তিযোদ্ধা যাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 
বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের লেখা বিভিন্ন প্রবন্ধ নিয়ে বিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘মওলা ব্রাদার্স’ এই বই প্রকাশ করেছে।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, বিাচরপতি ওবায়দুল হাসান মুক্তিযুদ্ধকে প্রত্যক্ষ করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আপনজনদের নিকট থেকে স্বজন হারানো বেদনাবিধুর ও লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড এবং অপহরণের ঘটনা সম্যকভাবে অবহিত হন। যা তার গ্রন্থ রচনায় অনুপ্রাণিত করেছে। তার ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে একাত্তরের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের অবর্ণনীয় নির্মমতার চিত্র পরিস্ফুটিত হয়েছে। এটা যে কোনো পাঠকের হৃদয়কে স্পর্শ করবে।

তিনি বলেন, বর্তমান এবং আগামী প্রজন্ম তার এ গ্রন্থ থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী রাজাকার, আলবদর ও তাদের দোসরদের নির্যাতন এবং বর্বরতার ভয়াবহ চিত্র সম্পর্কে জানতে পারবে। এতে অনেক এভিডেন্স যুক্ত করা হয়েছে সংক্ষিপ্তভাবে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, শহীদ বুদ্দিজীবী হত্যাকাণ্ডের বিচারের সঙ্গে আমিও সম্পৃক্ত। ওই বিচারের সময় আপিল বিভাগে একজন বিচারক ছিলাম আমি।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, বিচারক হিসেবে আমাদের কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিচারকরা রায় লেখেন। তারা যা ইচ্ছা তাই লিখতে পারেন না। তিনি বলেন, বিচারকরা আইনের বাইরে বই লেখেন না। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন বিচারপতি হাবিবুর রহমান শেলী। তিনি আইনের বাইরেও বই লিখেছেন। কলকাতার একজন বিচারকের গানের সিডি প্রকাশিত হয়েছে। এখন হয়তো সময় এসেছে বিচারকদের জীবন ও বিচারিক জীবন নিয়ে লেখার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা