kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

আপনার শিশু

শিশুর ঈদ পোশাক

ফ্যাশন ও বুটিক হাউসগুলো সব বয়সী শিশুর জন্য নানা রকম ঈদের পোশাক এরই মধ্যে শোরুমে তুলেছে। বাজার ঘুরে শিশুর ঈদ পোশাকের হালচাল জানাচ্ছেন এ এস এম সাদ

২০ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শিশুর ঈদ পোশাক

দুই থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য রং বাহারি নকশাদার পোশাক এসেছে ঈদের বাজারে। প্রায় সব হাউসেই শিশুদের জন্য রয়েছে আলাদা কর্নার। মেয়েশিশুদের জন্য রয়েছে সালোয়ার-কামিজ, ফ্রক, টপস, স্কার্ট, কুর্তা ও প্যান্ট। আর ছেলেশিশুদের জন্য পাঞ্জাবি, কটি, শার্ট, টি-শার্ট ও প্যান্ট।  

 

মেয়েদের জন্য

গরমের ঈদে এবার মেয়েশিশুদের ঈদ পোশাকে বিক্রির শীর্ষে আছে সালোয়ার-কামিজ ও ফ্রক। আরামদায়ক ফ্যাব্রিকস ও নকশা বেছে নেওয়া হয়েছে পোশাকে।

বড়দের সঙ্গে ডিজাইন ও নকশা মিলিয়ে ডিজাইন হয়েছে ছোটদের সালোয়ার-কামিজে। কমবেশি প্রায় সব ফ্যাশন হাউসেই নকশা মেলানো ছোট-বড় কামিজ দেখা গেছে। কামিজের সঙ্গে রাখা হয়েছে প্যান্ট কাটের সালোয়ার বা চুড়িদার। ফ্যাব্রিকস হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সুতি, সিল্ক, এন্ডি কটন, এন্ডি সিল্ক, হাফসিল্ক। গরমের জন্য স্লিভলেস সালোয়ার-কামিজই বেশি পছন্দ করছে শিশুরা। কামিজের সঙ্গে পালাজ্জো বা স্কার্ট ও ওড়না সেট হিসেবে রাখা হয়েছে। কিছু কামিজের সঙ্গে কটিও আছে। মেয়েদের ফ্রকেও সুতি এবং পাতলা লিনেন কাপড়ের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। উত্সবের জমকালো পোশাকের জন্য সিল্ক, টিস্যু ও জর্জেট কাপড় বেছে নেওয়া হয়েছে। নকশায় ব্যবহার হয়েছে চুমকি আর জরির কাজ। এ ছাড়া কাপড়ের ফুল, প্রজাপতি ও কার্টুন জুড়ে দেওয়া হয়েছে ফ্রকে। আছে সুতার এমব্রয়ডারি নকশাও। প্রিন্টেড ফ্রকের কালেকশনে ফুলেল মোটিফ ব্যবহার বেশি চোখে পড়ে। ফ্রক ও সালোয়ার-কামিজ ছাড়াও শিশুর পছন্দের কার্টুন, ফুল, পাখি, প্রজাপতি, মাছসহ বিভিন্ন থিমের স্কার্ট, টপস ও কুর্তা পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। উজ্জ্বল, ঝলমলে, আকর্ষণীয় রং বাছাই করতে হবে। ফ্রক ও টপসের পাশাপাশি আলাদা করে প্যান্ট, ডিডাইডার ও পালাজ্জোর কালেকশন রাখা হয়েছে মেয়েশিশুদের জন্য। জিন্স প্যান্টের মধ্যে স্টিচ প্যান্ট বেশি বিক্রি হচ্ছে।

ছেলেদের জন্য

ঈদের সকালে ছোট্ট শিশুটিরও বাবা ও পরিবারের অন্য পুরুষদের সঙ্গে পাঞ্জাবি পরা চাই। শিশুদের পাঞ্জাবিতে এবার হরেক রঙের ব্যবহার হয়েছে। লাল, কমলা, নীল, বেগুনি, সবুজ, গোলাপি, আকাশিসহ উজ্জ্বল সব রং ব্যবহার হয়েছে শিশুদের পাঞ্জাবিতে। একরঙা পাঞ্জাবিতে সুতা ও জরির নকশা বেশি।  এ ছাড়া প্রিন্টেড পাঞ্জাবির সংগ্রহও কম নয়। সাধারণ পাঞ্জাবির সঙ্গে শিশুদের পাঞ্জাবিতে আছে কাবলি সেট। পায়জামা-পাঞ্জাবি ও কটি সেটের পাশাপাশি শিশুদের জন্য আলাদা করে কটির কালেকশনও রাখা হয়েছে। চাইলে পাঞ্জাবির সঙ্গে মিলিয়ে পছন্দমতো কটি কেনা যাবে। পাঞ্জাবির পরেই শিশুর ঈদের লিস্টে থাকে টি-শার্ট ও শার্ট। এতে আরামদায়ক সুতি ফ্যাব্রিকস বেছে নেওয়া হয়েছে। একরঙা শার্টের পাশাপাশি বিভিন্ন পাতা ও ফুলের প্রিন্টেড নকশা হয়েছে। শার্টের সঙ্গে আছে জিন্স ও গ্যাবার্ডিন প্যান্ট।

 

নন-ব্র্যান্ড

ঈদ উপলক্ষে শিশুদের পোশাকের পসরা নিয়ে বসেছেন নন-ব্র্যান্ডের বিক্রেতারা। ব্র্যান্ডের শোরুম থেকে তুলনামূলক কম দামে শিশুদের পোশাক কিনতে যেতে পারেন নিউ মার্কেট, গাউছিয়া, মৌচাক মার্কেট, ফুলবাড়িয়া, বঙ্গবাজার কিংবা মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেটে। রমজানের শুরু থেকেই শিশুদের কেনাকাটার ধুম লেগেছে নন-ব্র্যান্ডের শোরুমে। ছেলেদের পাঞ্জাবি, শার্ট ও টি-শার্টের পাশাপাশি সমান তালে বিক্রি হচ্ছে মেয়েদের স্কার্ট, ফ্রক, কামিজ, গাউন ও লেহেঙ্গা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা