kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

যশোর ৫

ফুরফুরে মেজাজে আ. লীগ, মনোনয়ন জটিলতায় বিএনপি

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে আওয়ামী লীগ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে। অন্যদিকে ধানের শীষের কাণ্ডারি চূড়ান্ত না হওয়ায় মনোনয়ন জটিলতায় রয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। আওয়ামী লীগ নৌকার পক্ষে ঘরোয়া পরিবেশে সভা-সমাবেশ করলেও মনোনয়ন জটিলতার কারণে বিএনপির নেতাকর্মীরা অন্ধকারে রয়েছেন। এর ফলে দৃশ্যত দলটি নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অনেকটা পিছিয়ে। এ ছাড়া এবার আসনটি কোনোভাবেই বিএনপি তার শরিকদের ছাড় দিতে নারাজ।

গত ২৬ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব স্বাক্ষরিত ধানের শীষের মনোনয়ন তুলে দেওয়া হয় ২০ দলীয় জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একাংশের সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসের হাতে। পরদিন ২৭ নভেম্বর মনোনয়ন পান মণিরামপুর থানা বিএনপির সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন। মূলত ধানের শীষ প্রতীক যিনি পাবেন তাঁর সঙ্গেই নৌকার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন ভোট বিশ্লেষকরা। গত ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে অন্তত ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। ২ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাই শেষে ঋণখেলাপি নানা কারণে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুল ইসলাম বারী, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মুছা, ইসলামী আন্দোলনের ইবাদুল ইসলাম খালাসী, জাগপার প্রার্থী ডাক্তার নিজাম উদ্দিন অমিত ও জাকের পার্টির রবিউল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী স্বপন ভট্টাচার্য, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, অ্যাডভোকেট শহীদ মো. ইকবাল হোসেন ও জাতীয় পার্টির এম এ হালিমের মনোনয়নপত্র বহাল থাকে।

এদিকে যশোর-৫ আসনটিতে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের রিজার্ভ ভোট থাকার কারণে এ আসনটিকে আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে মনে করেন অনেকে। আসনটিতে ১৯৯১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ তিনবার, বিএনপি জোট একবার এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী একবার জয়ী হন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা