kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

সরে গেলেন কেয়া রইল বাকি ৩

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সরে গেলেন কেয়া রইল বাকি ৩

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে গেলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী। তিনি গত বুধবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তবে কেয়া সরে দাঁড়ালেও হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে অনিশ্চয়তা কাটেনি উভয় জোটের।

কেয়া চৌধুরী বিজ্ঞপ্তিতে জানান, এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু মনোনয়নপত্রে একটি স্বাক্ষর নেই বলে নির্বাচন কমিশন তা বাতিল করে। তিনি প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য কোনো আপিল করেননি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কেয়া বলেন, ‘আমি কোনো সময় নৌকা মার্কার বিপরীতে কাজ করতে পারি না। আমি কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি। এখন আমার কাজ হলো নৌকার বিজয়ে কাজ করা।’

এদিকে কেয়া চৌধুরী সরে দাঁড়ালেও এখনো মহাজোটের প্রার্থিতা চূড়ান্ত হয়নি এ আসনে। আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজীর ছেলে শাহ নেওয়াজ মিলাদ গাজী। আবার জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিককে। বর্তমান এমপি জাতীয় পার্টির মুনিম বাবুও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। গত নির্বাচনে আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়া হলে শেষ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহ নেওয়াজ মিলাদ গাজী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তবে এবার তিনিই মহাজোটের প্রার্থী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকও মহাজোটের মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। এম এ মুনিম বাবুও স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন বলে অনড়।

ধানের শীষ প্রতীক নিয়েও অনিশ্চয়তা কাটেনি আসনটিতে। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া গণফোরাম থেকে মনোনয়ন দাখিল করলেও ক্রেডিট কার্ডের সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা ঋণের জন্য তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়। পরে ঋণের টাকা পরিশোধ করে তিনি আপিল করেছেন। তিনি মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। তিনিই ধানের শীষ পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে বিএনপির আলোচিত প্রার্থী সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়াও ধানের শীষ প্রতীক পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। ড. রেজা কিবরিয়ার আগমনে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে তিনি লন্ডন গিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর তিনি গ্রিন সিগন্যাল পেয়েছেন বলে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। এ আসনের অপর প্রার্থী হলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের অ্যাডভোকেট নুরুল হক।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা