kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ইভিএম

উপস্থিত কম তবে সন্তোষ

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল রবিবার। এ নির্বাচনে ছয়টি উপজেলা সদরে (পটুয়াখালী সদর, বাগেরহাট সদর, ময়মনসিংহ সদর, ফেনী সদর, মুন্সীগঞ্জ সদর ও কক্সবাজার সদর) ইভিএম মেশিনে ভোট নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহ, ফেনী, বাগেরহাট ও মুন্সীগঞ্জ সদরের কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে ইভিএমে কিছুটা ভয় থাকলেও সার্বিকভাবে সন্তোষ প্রকাশ করেছে ভোটাররা। বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার খাগডহর এলাকার আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বের হচ্ছিলেন ৪০ বছর বয়সী স্থানীয় যুবক আরশাদ আলী। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় ইভিএমএ ভোট দেওয়ার অনুভূতি। জবাবে আরশাদ আলী বলেন, ‘ভালোই তো। কোনো অসুবিধা হয় নাই। আগের চেয়ে মনে হয় এই নিয়মই ভালো।’ বেগুনবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন গৃহিণী রহিমা খাতুন (৪৫)। তিনি বলেন, ‘মেশিনে ভোট দিতে প্রথমে ভয় হচ্ছিল। পরে মনে হয়েছে এটাই সহজ।’ ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ফেনী সদর উপজেলার ১২৪টি কেন্দ্রে ব্যবহার করা হয়েছে ইভিএম। এতে ভোট দিয়ে খুশি স্থানীয় সাংবাদিক জুলহাস তালুকদার। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম ইভিএম এ ভোট দিয়ে ভালো লেগেছে। অতি সহজে ভোট দিতে পেরেছি।’ ফেনী সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রেভোট দেন কামরুজ্জামান বাবলু। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই সহজ। এতে কোনো রকম কারচুপিরও সুযোগ নেই।’

বাগেরহাট আমড়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১২ নম্বর বুথে সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন নারী ভোটার ইভিএমে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ওই কেন্দ্রের ১ নম্বর বুথে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১১ জন পুরুষ ইভিএমে ভোট দেন। এ কেন্দ্রে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৮.৭৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানান।

এ ছাড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বাগেরহাট বহুমুখী কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রেও ইভিএমে ভোট নেওয়া হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদরে ইভিএমে ভোট দিতে পারায় ভোটারদের মধ্যে আনন্দই দেখা গেছে। ভোটারদের উপস্থিতি কম দেখা গেলেও তাদের উৎসাহ ছিল ইভিএম নিয়ে।

 

মন্তব্য