kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

অলস সময় কেটেছে কর্তাদের

গৌরাঙ্গ নন্দী, খুলনা   

১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অলস সময় কেটেছে কর্তাদের

খুলনার আট উপজেলায় গতকাল রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সার্বিকভাবে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম। তবে তেরখাদা ও কয়রায় তুলনামূলকভাবে ভোটার উপস্থিতি বেশি ছিল। গড়ে ৪০ শতাংশ ভোটার উপস্থিত হয়েছে বলে নির্বাচনী কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। 

সকাল থেকে বিভিন্ন উপজেলার ভোটকেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বটিয়াঘাটার প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যাপিঠ, মোহাম্মদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিঘলিয়ার খানাবাড়ি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, তেলিগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গভর্মেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে ভোটারদের তেমন উপস্থিতি নেই। নির্বাচনী কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্টসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অনেকটা অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। তবে তেরখাদায় তখন ভিন্ন চিত্র ছিল। প্রথমার্ধে সেখানে ৪০ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। কেন্দ্রগুলোয় মোটামুটি সারিবদ্ধভাবে ভোটারদের দাঁড়িয়ে ভোট দিতে দেখা গেছে। তেরখাদার আজগড়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ১১টা পর্যন্ত ৫১৯ জন ভোট দিয়েছে। সেখানে মোট ভোটার এক হাজার ৬৫৯ জন। ইখড়ি কাটেঙ্গা ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়ে এক হাজার ৬০০টি। মোট ভোটার তিন হাজার ৬১৮ জন। দুটি কেন্দ্রেই নারীদের একাধিক সারিতে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে দেখা গেছে।

দিঘলিয়ার গভর্মেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলকেন্দ্রে মোট ভোটার এক হাজার ৫৫৯ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৭৬৫ জন ও পুরুষ ভোটার ৭৯৪ জন। সকাল ১১টা পর্যন্ত এখানে ভোট পড়ে গড়ে ১৮ ভাগ। খানাবাড়ি কেন্দ্রে মোট ভোটার দুই হাজার ৪৩ জন। এর মধ্যে একটি বুথে ভোট পড়ে মাত্র ১৭টি। ফুলতলার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটার তিন হাজার ১০৩ জন। এর মধ্যে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ৩২১টি। রূপসার দক্ষিণ খাজাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক হাজার ৫০০ ভোটারের মধ্যে ১১০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, কয়রায় ৫০ শতাংশ, পাইকগাছায় ৩০ শতাংশ, রূপসায় ৪০ শতাংশ, তেরখাদায় ৬০ শতাংশ, বটিয়াঘাটায় ২০ শতাংশ, ফুলতলায় ২৫ শতাংশ ও দাকোপে ভোট পড়েছে ৪০ শতাংশ।

ভোটারের গড় উপস্থিতি ৫০ শতাংশের বেশি ও সন্তোষজনক বলে দাবি করেন রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা