kalerkantho

নরওয়ের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা

একজন মুহাম্মদ রফিকের সাহসিকতায় বহু মানুষ প্রাণে বেঁচে যায়

আবরার আবদুল্লাহ    

২০ আগস্ট, ২০১৯ ১০:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একজন মুহাম্মদ রফিকের সাহসিকতায় বহু মানুষ প্রাণে বেঁচে যায়

গত ১০ আগস্ট নরওয়ের অসলোর নিকটবর্তী একটি মসজিদের বাইরে বন্দুক হামলা হয়। হামলাকারী মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে গুলিবর্ষণ শুরু করেছিল। আন নুর ইসলামিক সেন্টারের এই হামলায় একজন আহত হয়। তবে হামলায় আরো বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারত বলে অনেকেই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। মসজিদে ইবাদতরত মুসল্লিদের জীবন রক্ষায় সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন ৬৫ বছরের মুহাম্মদ রফিক। মূলত তাঁর সাহসিকতার কারণেই অসলোর সন্ত্রাসী হামলা ব্যর্থ হয় এবং বহুসংখ্যক মানুষ প্রাণে বেঁচে যায়। হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে রফিক সামান্য আহতও হন।

পাকিস্তান বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অফিসার মুহাম্মদ রফিকই সর্বপ্রথম হামলাকারীকে প্রতিহত করেন। তিনি বলেন, ‘আমি হঠাৎ বাইরে গুলির আওয়াজ শুনলাম। তখন সে অন্য দুজন মানুষকে লক্ষ্য করে গুলি করছিল। আমি তাকে পেছন থেকে জাপটে ধরি। তার হাতের অস্ত্র কেড়ে নিতে সক্ষম হই। সে তখন আমার চোখে আঙুল ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে; কিন্তু অন্য একজন আমার সাহায্যে এগিয়ে এলে সে পরাস্ত হয়।’

মসজিদ কমিটির সদস্য ইরফান মোস্তাক জানান, হামলাকারীর সঙ্গে দুটি শটগান ও একটি পিস্তল ছিল।

অসলোর পুলিশ অফিসার এস কে জল্ড মুহাম্মদ রফিকের প্রশংসা করে বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই, মসজিদের ভেতরের একজনের দ্রুত পদক্ষেপ হামলাকারীকে থামিয়ে দিয়েছিল। ভয়াবহ পরিণতি থেকে মানুষকে রক্ষা করেছিল।’

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইরনা সোলবার্গ এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘মসজিদ, চার্চ ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আবশ্যক।’

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে মুসলিমবিদ্বেষী এক হামলায় ৭৭ জন প্রাণ হারায়। গত বছর নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় ৫১ মুসলিম প্রাণ হারায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা