kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

মাথায় ধর্মীয় গ্রন্থ নিয়ে কাঁদলেন বিভিন্ন দেশের হাজারও শিয়া (ভিডিওসহ)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ মে, ২০১৯ ২১:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাথায় ধর্মীয় গ্রন্থ নিয়ে কাঁদলেন বিভিন্ন দেশের হাজারও শিয়া (ভিডিওসহ)

ইসলামের চতুর্থ খলিফা ও শিয়া সম্প্রদায়ের ইমাম হযরত আলী (রা.) এর মেয়ে সায়্যিদাহ জয়নাব (আ.) এর মাজারে জমায়েত হয়েছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কয়েক হাজার মানুষ। ২১ রমজানের রাতে ২৬ মে তারা সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের ওই মাজারে জমায়েত হন। এর পর সেখানে আকুতি-মিনতি করে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

শিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন হযরত আলী ইবনে আবি তালিবকে নিজেদের প্রথম ইমাম হিসেবে মনে করে। জানা গেছে, হযরত আলী (রা.) এর জন্য বিশেষভাবে দোয়া করে শবে কদরের রাত উদযাপনের জন্য ইরাকের নাজিফ শহরের বিভিন্ন মসজিদেও বড় ধরনের জমায়েত হয়।

শিয়া মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে, ১৯, ২১ ও ২৩ রমজান শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। সেই উপলক্ষে শবে কদরের সওয়াব পাওয়ার আশায় বিশাল সংখ্যক লোকজন পবিত্র স্থানগুলোতে জমায়েত হয়ে নামাজ আদায় ও দোয়া করতে থাকে। ওই সময় শিয়ারা বিভিন্ন ভঙ্গিতে প্রার্থনা করেন। 

যদিও বলা হয়ে থাকে যে, রমজানের শেষ ১০ দিনের যে কোনো দিন শবে কদর হতে পারে। তবে অনেকেই মনে করেন, বিজোড় সংখ্যক রাতগুলো শবে কদরের রাত হতে পারে। এজন্য সুন্নী মুসলমানরা ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমজান বেশি বেশি নামাজ ও দোয়া করে। আবার অনেকেই মনে করে, ২৭ রমজান শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি।

প্রসঙ্গত, হজরত জয়নাব (আ.) এর মৃত্যু সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের মতবাদ রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, তিনি কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং স্বাভাবিক মৃত্যু হয় তার। হজরত জয়নাব (আ.) এর শাহাদতের তারিখের পাশাপাশি তার মাজারের স্থান নিয়েও মতভেদ রয়েছে। তার পরেও প্রতি বছর এ সময় বিভিন্ন দেশ থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষ দামেস্কে যান।

ভিডিওটি দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা