kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

রিজার্ভ ডে না রাখার কারণ ব্যাখ্যা করল আইসিসি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ জুন, ২০১৯ ১৬:১৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রিজার্ভ ডে না রাখার কারণ ব্যাখ্যা করল আইসিসি

চলতি বিশ্বকাপের মাঝপথে এসেই নতুন একটি রেকর্ড হয়ে গেল। গতকালকের বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা ম্যাচসহ চলতি আসরে মোট তিনটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। আর তিনটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় আইসিসি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ (এর আগে ছিলো দু'টি) পরিত্যক্তের ঘটনা ঘটলো। 

বিশ্বকাপের মতো আসরে দলগুলোর জন্য রিজার্ভ ডে না রাখা নিয়ে কম কথা শুনতে হচ্ছে না আইসিসিকে। ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক এই সংস্থাকে বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা ম্যাচ পরিত্যক্তের পরে বাংলাদেশীসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। অবশেষে রিজার্ভ ডে না রাখার কারণ ব্যাখ্যা করেছে আইসিসি।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডের ব্যবস্থা করতে হলে টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য অনেক বেড়ে যাবে। তখন পুরো টুর্নামেন্টটা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা একরকম অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। পিচ প্রস্তুত করা, দলগুলোর যাত্রার সময়সূচি ও বিশ্রামের রুটিন, থাকার জায়গা, ভেন্যু ঠিক দিনে পাওয়া যাবে কি না, স্বেচ্ছাসেবক ও ম্যাচ অফিশিয়ালদের প্রাপ্যতা ও উপস্থিতি, সরাসরি সম্প্রচারে সমস্যা হবে কি না—এসব কিছুর ওপর প্রভাব পড়বে তখন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, অনেক দর্শকই আছেন, যারা অনেকক্ষণ যাত্রা করে খেলা দেখতে আসেন, তাদের ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে। তার ওপর যেদিন রিজার্ভ ডে রাখা হবে, সেদিনও যে বৃষ্টি হবে না, তারও তো কোনো নিশ্চয়তা নেই।

রিচার্ডসন আরও বলেন, একটা ম্যাচ যখন আয়োজন হয়, তখন এক হাজার দু’শ জনের মতো মানুষ সংশ্লিষ্ট থাকে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের যাতায়াত করতে হয়। রিজার্ভ ডেতে ম্যাচ রাখা মানে আরও বেশি মানুষকে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত করা। তবে নকআউট পর্বে ম্যাচগুলোর জন্য রিজার্ভ ডে রয়েছে। আশা করছি, গ্রুপ পর্বের ৪৫টা ম্যাচের মধ্যে অধিকাংশ ম্যাচই ফলাফল দেখবে।

আইসিসির প্রধান এই নির্বাহী বলেন, ইংল্যান্ডের আবহাওয়া বড়ই বিচিত্র আচরণ করছে। গত দু’দিনে আমরা জুন মাসের গড় বৃষ্টিপাতের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বৃষ্টিপাত দেখেছি। এমনটা সাধারণত হয় না। ইংল্যান্ডে জুন মাস সাধারণত বছরের তৃতীয় শুষ্কতম মাস। ২০১৮ সালের জুনে মাত্র দু’মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টাতেই দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডে বৃষ্টি হয়েছে একশ মিলিমিটারের মতো, যা খুবই আশ্চর্যজনক। যখন বৃষ্টি হয়, আমাদের মাঠের কর্মীরা ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করেন যেন যে করেই খেলা আয়োজন করা যায়।

কিন্তু আইসিসি কারণ ব্যাখ্যা করলেও সমালোচনা থেকে সহসাই রেহাই পাচ্ছেন না তারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা