• ই-পেপার

উচ্চ আদালতে রামিসার হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স নথি

প্রতারণা মামলায় নায়িকা রুবিনা নিঝুমের স্বামীর বিরুদ্ধে সমন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতারণা মামলায় নায়িকা রুবিনা নিঝুমের স্বামীর বিরুদ্ধে সমন জারি

সাড়ে চার লাখ টাকা চেক ডিজঅনারের অভিযোগে চিত্রনায়িকা রুবিনা আক্তার নিঝুমের স্বামী মামূনুর রশীদ রাহূলের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে সমন জারি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মোছা. সুরভী বেগম নামে একজন মামলা দায়ের করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে ফয়সাল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন।

তিনি বলেন, এর আগে রুবিনা নিঝুম, তার স্বামী রাহূল, শ্বাশুড়ি মহিমা বিবি ও দেবর নান্নু মিঞার বিরুদ্ধে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এ ছাড়া চেক ডিজঅনারের আরেক মামলায় চার আসামিকে আদালতে হতে সমন জারি রয়েছে। আজকে তৃতীয় মামলায় রাহূলকে একমাত্র আসামি  করা হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আরো বলেন, রুবিনা নিঝুম ও তার স্বামী টাকা আত্মসাৎ করে কাতার পালিয়ে গেছেন বলে জেনেছি। তারা কাতার থেকে লাইভে এসে এ কথা জানিয়েছে।

মামলায় অভিযোগ অনুযায়ী, রাহূল ব্যবসা সম্প্রসারণের কথা বলে সুরভীর কাছে সাড়ে চার লাখ টাকা ধার চান। পূর্বপরিচিত হওয়ায় বাদী তাকে টাকা ধার দেন। গেল ১০ মার্চ টাকার বিপরীতে রাহূল তার বোনের মাধ্যমে সুরভীকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার একটি চেক দেন। সুরভী চেকটি নগদায়নের জন্য জমা দিলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা ডিজঅনার হয়। গত ২০ মার্চ সুরভী রাহূলকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠালে তিনি টাকা পরিশোধে কোনো উদ্যোগ নেননি। চেক ডিজঅনারের বিষয়ে তাকে অবগত করলে টাকা ফেরত দেবে বলে জানায়। তবে টাকা ফেরত দেয়নি।

এর আগেও প্রতারণা করে সাড়ে ১২ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৯ জানুয়ারি নায়িকা রুবিনা নিঝুম, তার স্বামী, শ্বাশুড়ি ও দেবরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন সুরভী বেগম। আদালত আসামিদের ১৯ ফেব্রুয়ারি হাজির হতে সমন জারি করেন। তবে ওইদিন তারা হাজির না হওয়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর এই চার আসামির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের একটি মামলা করা হয়। আজ রাহূলের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করা হলো।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ১৬ জুন শুনানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ১৬ জুন শুনানি
সংগৃহীত ছবি

তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য ‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিলেন, সেই রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। সরকারের আবেদন মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার (৯ জুন) এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার ও অন্য দুই পক্ষের আপিলে আগামী ১৬ জুন শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

আদালতে সরকারের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন। এ ছাড়া শুনানিতে ছিলেন আরেক আপিলকারী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম। আর আপিলকারী বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কারিশমা জাহান।

স্থগিতাদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপিলটি শুনানি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগ আমাদের আবেদন মঞ্জুর করেছেন। অর্থাৎ হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, যে রায়ের প্রেক্ষিতে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল এবং একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেটি স্থগিত থাকবে।’

এই আদেশের ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ২০১৭ সালে প্রণীত শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী চলবে বলে জানান রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।

রিটকারী পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, ‘মামলাটি দ্রুততার ভিত্তিতে শুনানি করতে পারলে মূল সমস্যার সমাধান হতে পারে। কিন্তু একটি কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন, সেটি হচ্ছে সরকারের যে অ্যাপ্রোচ, দ্যাট অ্যাপ্রোচ ওয়াজ নট গুড অ্যাপ্রোচ। হাইকোর্টের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সরকার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়কে বিলুপ্ত করে দিয়েছেন। এই বিলুপ্ত করার যে অ্যাপ্রোচটা তারা গ্রহণ করেছেন, তা আদালত অবমাননার শামিল। এই ধরনের কাজ সরকারের পক্ষ থেকে করা উচিত হয়নি।’

এর আগে গত বছর ২ সেপ্টেম্বর তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য ‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে আনা সব সংশোধনী অবৈধ ও অসাংবিধানিক উল্লেখ করে বাতিল ঘোষণা করা হয়। 

এ রায়ের পর গত বছর ৩০ নভেম্বর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। পরে ১০ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদ সংলগ্ন ৪ নম্বর প্রশাসনিক ভবনে সচিবালয় উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ওই ভবনেই চলে আসছিল সচিবালয়ের কাজ। গত ৭ এপ্রিল হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। এর দুইদিন পর ৯ এপ্রিল বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল’ পাস করা হয় সংসদে। গত ২০ এপ্রিল এই রহিতকরণ বিল স্থগিত এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশনা চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। 

এরপর গত ১৯ মে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে সরকার। সেদিনই এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় থেকে ১৫ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে নেয় আইন মন্ত্রণালয়। ২১ মে হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়ে আপিল করে সরকার। এই আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়। ওইদিন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সরকারের আবেদনটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। এর মধ্যে ১১৬ অনুচ্ছেদের বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম। গতকাল তিনটি আপিল শুনানিতে ওঠে। সর্বোচ্চ আদালত আপিল শুনানির দিন ধার্য্য করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন।

ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন গ্রেপ্তার সেই ৬১ আইনজীবী

অনলাইন ডেস্ক
ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন গ্রেপ্তার সেই ৬১ আইনজীবী

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবী সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছেন।

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সামনে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারা বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত এ মানববন্ধন করেন। এ সময় তারা ‘ইউনূসের বিচার চাই’-সহ নানা স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে কারামুক্ত আইনজীবী মাহফুজুর রহমান লিখন বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়া, মামলা পরিচালনা করতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা জানান।

তিনি বিগত সরকারের সময় কারাগারে থাকা আইনজীবীদের মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

মানববন্ধনে কারামুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন– অ্যাডভোকেট ওবায়দুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট লিটন মিয়া ও অ্যাডভোকেট মো. তৌহিদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট শামীম আল সোহাগ সাইফুল।

সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত
সংগৃহীত ছবি

তিন মাসের মধ্যে সুপ্রীম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিস্তারিত আসছে...