kalerkantho

কাপড় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ মার্চ, ২০১৯ ১৬:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাপড় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

ঢাকার দোহারে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নজরুল ইসলাম নামে এক কাপড় ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রদীপ কুমার রায় এ দণ্ডাদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সিরাজ ওরফে সেরু কারিগর, মিনহাজ ওরফে মিনু, খলিল কারিগর, শাহজাহান কারিগর, দিদার, এরশাদ, কালু ওরফে কুটি কারিগর, আজাহার কারিগর, মিয়াজ উদ্দিন, মোজাম্মেল ওরফে সুজা, আ. জলিল কারিগর, জালাল, বিল্লাল, ইব্রাহিম ও আ. লতিফ। 
আর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- চায়না বেগম ও মজিদন ওরফে মাজেদা। তবে এরা দুইজনেই পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের ৩ এপ্রিল সকালে ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার মামা মামলার বাদী ডা. নাজিম উদ্দিন আহম্মেদের মোবাইল ফোনে কথা হয়। সে সময় তারা মামলার বিষয়ে কথা বলছিলেন। কথা বলার একপর্যায়ে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর ১৫ মিনিট পরে নাজিম উদ্দিনের বড় বোন চন্দ্রবান ফোন দিয়ে তাকে জানান আসামি সিরাজ নজরুল ও তার স্ত্রী-পুত্রকে মারপিট করছে। নজরুলের অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে জয়পাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নজরুলকে মাইক্রোবাসে করে ঢামেকে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি তার মামাকে জানান, আসামিরা তাকে লোহার রড, লাঠি, হাতুড়ি ইত্যাদি দিয়ে পিটিয়ে হাতে, পায়ে, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর আঘাত করে। তার স্ত্রী সূর্যবানুকেও মারপিট করা হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নজরুলকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ওই দিনই এ ঘটনায় ১৫ জনকে আসামি করে দোহার থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত নজরুলের মামা ডা. নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা