kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১              

চিকিৎসক আকাশের আত্মহত্যা

রিমান্ড শেষে স্ত্রী ডা. মিতু জেলে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম    

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১২:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রিমান্ড শেষে স্ত্রী ডা. মিতু জেলে

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডা. মোস্তফা মোরশেদ আকাশের আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে ডা. তানজিলা হক চৌধুরী মিতুকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু ছালেম মোহাম্মদ নোমান আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী সাহাবুদ্দিন আহমদ জানান, রিমান্ড শেষে পুলিশ আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে। আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক আবদুল কদের জানান, জিজ্ঞাসাবাদে মিতু ৩১ জানুয়ারি রাতের ঘটনার বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। তিনি ভারতীয় নাগরিক উত্তম প্যাটেলের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য হয় এবং স্বামীর কাছে ক্ষমা চান বলে দাবি করেন। এ ছাড়া উত্তম প্যাটেলের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে দুজনের মধ্যে তর্ক এবং হাতাহাতি হয়। পরে তিনি বাবার বাসায় চলে যান। পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি আকাশের আত্মহত্যার খবর পান।

এ ঘটনায় ডা. আকাশের মা জোবেদা খানম বাদী হয়ে মিতুসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন। ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালত মিতুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের আগেই মিতুর সঙ্গে একাধিক যুবকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ প্রকাশ পায়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক মিতু বাংলাদেশের একটি মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করার পর উচ্চশিক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। গত ১৩ জানুয়ারি তিনি দেশে ফেরার পর উত্তম প্যাটেল নামের এক যুবকের সঙ্গে আপত্তিকর কিছু বার্তা আদান-প্রদানের তথ্য মিতুর মোবাইল ফোনে পান ডা. আকাশ। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয় এবং এর আগে কুমিল্লার আরেক সহপাঠীর সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে ডা. আকাশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন মৃত্যুর আগে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা