kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৪ অক্টোবর ২০১৯। ৮ কাতির্ক ১৪২৬। ২৪ সফর ১৪৪১       

সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশকে মারধর

পল্টন থানা ছাত্রলীগ সভাপতিসহ ৯ জন রিমান্ডে

পৃথক মামলায় ৭ জন কারাগারে

আদালত প্রতিবেদক   

২৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ২০:১০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পল্টন থানা ছাত্রলীগ সভাপতিসহ ৯ জন রিমান্ডে

সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশকে মারধরসহ ভাংচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার পল্টন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ নাজমুল হোসাইন মিরনসহ নয়জনকে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। চাকরি দেওয়ার কথা বলে আত্মসাৎ করা টাকা চাইতে গেলে মারধরের অভিযোগে পৃথক মামলায় সাতজনের রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের পক্ষে করা জামিন আবেদনের উপর শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

আজ বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম সাদবির ইয়াসির আহসান চৌধুরী দুই মামলায় শুনানি শেষে ওই আদেশ দেন। 

মিরনসহ রিমান্ডে পাঠানো অন্যরা হলেন ওয়াহিদুল ইসলাম, আরিফ, শেখ রহিম, রাসেল, শাহ্ আলম চঞ্চল, আরিফ হোসেন, কাওসার আহমেদ সাইফ ও মোয়াজ্জেম।

পৃথক মামলায় কারাগারে পাঠানো সাতজন হলেন বিএম আসলাম হোসেন, মেহেদী হাসান, জুয়েল, শরিফুল ইসলাম, সোহেল তালুকদার, সম্রাট ও সাখাওয়াত হোসেন।

গতকাল সকালে রাজধানীর পল্টনের একটি ভবনে অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুর ও পুলিশকে মারধরের ঘটনায় পল্টন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ নাজমুল হোসাইন মিরনসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি মামলা করে পুলিশ।

পুলিশকে মারধরের অভিযোগে পল্টন থানার উপ পরিদর্শক আশরাফুল হক বাদী হয়ে মামলা করেন। অন্যদিকে অর্থ আত্মসাৎ ও মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলার বাদী আসলাম আহসান তুষার। বিকেলে পৃথক মামলার তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ড চেয়ে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেন দুই মামলার একটিতে মিরনসহ নয়জনকে ও অপর মামলায় সাতজনকে রিমান্ডে নিয়ে সাতদিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে পৃথক আবেদন দাখিল করেন।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, আদালতে শুনানিতে আসামিদের পক্ষে রিমান্ড বাতিল করে জামিন দেওয়ার আবেদন করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক এক মামলায় নয়জনের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অন্য মামলায় রিমান্ড আবেদন নাকচ করে সাতজনকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। একইসঙ্গে ওজামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

পুলিশকে মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় বলা হয়েছে, ২২ জানুয়ারি তারিখ সন্ত্রাসীরা পল্টনের বিশ্বাস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ভবনে ভাঙচুর করছে এমন তথ্য পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ। গিয়ে দেখে আসামিরা অফিসের চেয়ার, টেবিল ও কম্পিউটার ভাঙচুর করছে। মামলার বাদী ভাঙচুর না করার অনুরোধ করলে তারা পুলিশকে মারধর করে।

এদিকে চাকরির প্রলোভন দিয়ে আত্মসাৎ করা টাকা চাইতে গেলে মারধর করার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা মামলায় বলা হয়, গত বছর চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাদী আসলাম আহসান তুষার ও তার আত্মীয়দের কাছ থেকে দশ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাত করে। ওই টাকা চাইলে তারা ওই প্রতিষ্ঠানে এসে মারধর ও ভাঙচুর করে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা