kalerkantho

বনানীতে দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলা

আসামি অনুপস্থিত পরবর্তী শুনানি ২২ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ০২:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আসামি অনুপস্থিত পরবর্তী শুনানি ২২ জানুয়ারি

প্রতীকী ছবি

বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি নাঈম আশরাফ ওরফে আবদুল হালিমকে আদালতে হাজির না করায় তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক খাদেমুল কায়েশ আগামী ২২ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করে আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ ও তাঁর দুই বন্ধুসহ পাঁচজনের পক্ষে বাদীকে জেরা আগেই শেষ হয়েছে। ধর্ষণের শিকার আরেক ছাত্রী গতকাল আদালতে হাজির ছিলেন।

গত বছর ১৭ অক্টোবর ধর্ষণের শিকার এক শিক্ষার্থী বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে এই মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

গত বছর ১৩ জুলাই আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তাঁর বন্ধু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ‘ই-মেকার্স’-এর কর্মকর্তা নাঈম আশরাফ ওরফে আবদুল হালিম, ঢাকার পিকাসো রেস্তোরাঁর মালিক রেগনাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে সাদমান সাফিক এবং সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

গত বছরের ১৯ জুন সাফাত আহমেদ ও তাঁর বন্ধু নাঈম আশরাফ ওরফে আবদুল হালিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সাফাতের বন্ধু সাদমান সাফিক, গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও সাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ আমলে নেন একই ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত বছরের ৮ জুন আদালতে পাঁচ আসামিকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পুলিশের ওসি ইসমত আরা এমি।

ধর্ষণের ঘটনার ৪০ দিন পর গত বছরের ৬ মে বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন ধর্ষণের শিকার এক শিক্ষার্থী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা