kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ আগস্ট ২০১৯। ৭ ভাদ্র ১৪২৬। ২০ জিলহজ ১৪৪০

বিএনপি নেতা দুলু কারাগারে, নির্বাচনের পথরুদ্ধ

আদালত প্রতিবেদক   

১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২২:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিএনপি নেতা দুলু কারাগারে, নির্বাচনের পথরুদ্ধ

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। ফাইল ছবি

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর রিট খারিজ করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন। এদিকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তারের পর নিম্ন আদালতে পাঠানোর হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ফলে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ প্রার্থী হিসাবে দলীয় টিকিট পেলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথরুদ্ধ হয়ে গেল।

আজ বুধবার হাইকের্টে রিট আবেদন শুনানি শেষে সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ দুলুর আবেদন খারিজ করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত বহাল রেখে আদেশ দেন। 

এরপর পরই রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানার মামলায় গত বছর জারি হওয়া পরোয়ানার ভিত্তিতে গতকাল বুধবার সকালে গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। 

বিকেলে মামলায় পলাতক আসামি গ্রেপ্তার করা সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদনসহ তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। 

আদালতে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমান আগামী ২৩ ডিসেম্বর ওই আবেদন শুনানির দিন ধার্য করে দুলুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

শেরে বাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা আবু ইউসুফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 
২০১৫ সালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর বিশেষ ক্ষমতা আইনের ওই মামলায় চার্জশিট দাখিলের গত বছরের ১৭ এপ্রিল অভিযোগ আমলে নিয়ে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত পলাতক হিসাবে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। 

নির্বাচনের দাবিতে চার দলীয় ঐক্যজোটের আহবানে ২০১৫ সালে সারাদেশে হরতাল অবরোধ চলাকালে ৭ ফেব্রুয়ারি শেরে বাংলা নগর থানা এলাকায় গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, জনমনে ভীতি সৃষ্টি করাসহ সহিংসতার অভিযোগে উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। পরের বছর ১৬ জুলাই শেরেবাংলা নগর থানার এসআই তোফাজ্জল হোসেন দুলুসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলায় চার্জশিট দাখিলের পর অভিযোগ আমলে গ্রহণ শুনানির দিন হাজির না থাকায় তার জামিন বাতিল করে পলাতক হিসাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন তৎকালীন জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা