kalerkantho

সোমবার । ২৬ আগস্ট ২০১৯। ১১ ভাদ্র ১৪২৬। ২৪ জিলহজ ১৪৪০

বাগেরহাটের বড়াল হত্যা

দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ছয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০২:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ছয়

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ও বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কালিদাস বড়াল হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বিচারিক আদালতে (নিম্ন আদালত) মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন।

নিম্ন আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত ছয়জনকে খালাস দেওয়ায় এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করবে বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন। ২০১৩ সালের ৫ জুন বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ এস এম সোলায়মান এই মামলায় পাঁচ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা, তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং ৯ আসামিকে খালাসের আদেশ দেন। খালাসের বিরুদ্ধে বড়ালের স্ত্রী হাইকোর্টে একটি রিভিশন করেছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্সসহ সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও নিহত বড়ালের স্ত্রী হ্যাপি বড়ালের রিভিশন একসঙ্গে শুনানির পর গতকাল এই রায় দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে সাঈদুল ইসলাম ওরফে সাঈদ ফকির ও ঘোলা গ্রামের আবদুল হক কাজীর ছেলে সাইফুর রহমান ওরফে বাবলু কাজী। ফাঁসির দণ্ডের বদলে খালাস পেয়েছেন চিতলমারী উপজেলার রহমতপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকীর দুই ছেলে আলমগীর সিদ্দিকী ও নাছির সিদ্দিকী এবং কলাতলা গ্রামের সোনা মিঞা সরদারের ছেলে স্বপন। যাবজ্জীবন সাজার বদলে খালাস পেয়েছেন রহমতপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকীর আরেক ছেলে শওকত সিদ্দিকী, সদর উপজেলার চরগাঁ গ্রামের হাশেম মোল্লার ছেলে বাবুল মোল্লা ও সুলতানপুর গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে মানিক। 

২০০০ সালের ২০ আগস্ট সকালে বাগেরহাট শহরের সাধনা মোড়ে কালিদাস বড়ালকে গুলি করে হত্যার পরদিন নিহতের স্ত্রী হ্যাপি বড়াল বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাগেরহাট মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৩১ অক্টোবর বাগেরহাট থানার তত্কালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম মামলার ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেন। অভিযুক্তদের মধ্যে অছিকার রহমান মারা গেছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ও গণপিটুনিতে আব্দুর রশিদ ওরফে তাপু ওরফে মামুন, জুয়েল শিকদার ওরফে রাসেল, কবির ডাকুয়া ও তুষার মোল্লা নামে চার আসামি নিহত হন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা