kalerkantho


মানহানির দুই মামলায় ব্যারিস্টার মইনুলের জামিন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:৩৩



মানহানির দুই মামলায় ব্যারিস্টার মইনুলের জামিন

মানহানির দুই মামলায় হাই কোর্টে গিয়ে জামিন নিয়েছেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। আজ রবিবার ঢাকার আদালতে মাসুদা ভাট্টির পাশাপাশি জামালপুরের আদালতেও মানহানির মামলা হয়। হাকিম আদালতে দুটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর এদিনই হাই কোর্টে গিয়ে তিনি আগাম পাঁচ মাসের জামিন নেন।

গত ১৬ অক্টোবর রাতে একাত্তর টিভিতে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে জামায়াতের সঙ্গে মইনুলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন আমাদের অর্থনীতির জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সম্পাদক মাসুদা ভাট্টি। এনিয়ে কথার এক পর্যায়ে মইনুল হোসেন বলেন, আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই। পরে তিনি টেলিফোন করে মাসুদা ভাট্টির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন, পরে বিবৃতিও পাঠান।

তবে মইনুলকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসা মাসুদা ভাট্টি তাতে সাড়া না পেয়ে রবিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন।

মাসুদা ভাট্টির পক্ষে আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীদের নেতা কাজী নজিবুল্যাহ হীরু ও ওমর ফারুক এই ঘটনায় মইনুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নারী সংগঠনের প্রতিবাদ জানানোর বিষয়টি তুলে ধরে বিবাদীকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।

এরপর অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। আগামী ২২ নভেম্বর পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য করে দেন।

এদিকে জামালপুরের মামলাটি করেন জেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক ফারজানা ইয়াসমীন লিটা। তিনি নারী হিসেবে নিজের মানহানির অভিযোগ তুলে ২০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

বাদীর আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সোলায়মান কবীর মামলাটি আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মানহানির দুই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর বিকালে হাই কোর্টে আত্মসমর্পণ করে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মইনুল।

আদালতে মইনুলে পক্ষে ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, তার সঙ্গে ছিলেন এ কে এম এহসানুর রহমান। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন ও বর্তমান সম্পাদক এ এম মাহবুবউদ্দিন খোকনও উপস্থিত ছিলেন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রাফি আহমেদ।

শুনানির পর বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাই কোর্ট বেঞ্চ মইনুলকে পাঁচ মাসের আগাম জামিন দেন।



মন্তব্য