kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১                       

৯ বছর আগে অনুপ্রবেশের অভিযোগের মামলা

শহিদুল আলমের শাস্তি কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক    

৮ অক্টোবর, ২০১৮ ২২:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শহিদুল আলমের শাস্তি কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

ড. শহিদুল আলম

দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে ৯ বছর আগে ভারত থেকে অনুপ্রবেশের দায়ে করা মামলায় কুড়িগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-২ থেকে শাস্তি দেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন। শহিদুল আলমের করা এক রিট আবেদনে এ রুল জারি করা হয়। আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিষ্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।

রিট আবেদনে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র নদীর ছবি তুলতে যেয়ে কুড়িগ্রাম সীমান্ত থেকে ২০০৯ সালের ১৬ জুন ভারতীয় বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে যায়। এ নিয়ে পতাকা বৈঠকের পর তাকে বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করে। কিন্তু এ নিয়ে সে সময় কুড়িগ্রাম ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা হয় (জিআর মামলা নম্বর ২০/২০০৯)। এ মামলায় তাকে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে শাস্তি হিসেবে জরিমানা করা হয়। যা অবৈধ। কারণ তিনি বাংলাদেশি। নিজ দেশে কখনই অনুপ্রবেশ হতে পারে না।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে ড. শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করে পুলিশ। এ মামলায় ৬ আগস্ট তাকে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে ১২ আগস্ট তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা