kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ জুলাই ২০১৯। ৩ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৪ জিলকদ ১৪৪০

নুরুল ইসলাম হত্যা: শাহাবুদ্দীন নাগরী ও সুমি কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ এপ্রিল, ২০১৭ ২২:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নুরুল ইসলাম হত্যা: শাহাবুদ্দীন নাগরী ও সুমি কারাগারে

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় নুরানী আক্তার সুমি ও তার বন্ধু শাহাবুদ্দীন নাগরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম ওয়ায়েজ কুরুনী খান চৌধুরী এ আদেশ দেন। এদিকে  হত্যার ঘটনাটি সুষ্ঠভাবে তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে মামলাটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিউমার্কেট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মতলুবর রহমান নাগরী ও সুমিকে আজ আজ শুক্রবার আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। 

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামির পাঁচ দিন করে রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম ওয়ায়েজ কুরুনী খান চৌধুরী। ২২ এপ্রিল তাদের পাঁচ দিনের রিমাণ্ড শেষ হয়। দ্বিতীয় দফায় ২৩ এপ্রিল নাগরী ও সুমিকে আদালতে হাজির করা হলে দুই আসামির চার দিন করে রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম শেখ ছামিদুল ইসলাম। এছাড়া তিনি মামলার অন্য আসামি গাড়িচালক সেলিম হোসেনকে কারাগারে পাঠানো নিদের্শ দেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম হত্যা মামলায় দুই দফায় ৯ দিনের রিমাণ্ডে ছিলেন নাগরী ও সুমি। রিমাণ্ডে থাকা অবস্থায় তারা নিজেদের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করলেও হত্যা সম্পর্কে তথ্য গোপন এবং অসলগ্ন কথা বলেছে। হত্যার কারণ জানতে সুমি ও নাগরীকে আলাদাভাবে এবং মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু তাদের কথাবার্তায় কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে হত্যার সুষ্ঠু তদন্তে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ এপ্রিল এলিফ্যান্ট রোডের ১৭০/১৭১ নম্বর ডোম-ইনো এপার্টমেন্টের ৪/বি ফ্ল্যাটে ব্যবসায়ী নুরুল ইসলামের মৃতদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ১৪ এপ্রিল নিহত ব্যবসায়ীর বোন শাহানা রহমান কাজল বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় নুরুল ইসলামের স্ত্রী নুরানী আক্তার সুমি, তার বন্ধু কবি, গীতিকার ও সাবেক কাস্টমস কমিশনার শাহাবুদ্দীন নাগরীসহ অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। ঘটনার পরপরই সুমি ও গাড়িচালক সেলিমকে এবং ১৭ এপ্রিল রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকা থেকে নাগরীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা