kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৪ অক্টোবর ২০১৯। ৮ কাতির্ক ১৪২৬। ২৪ সফর ১৪৪১       

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার পরবর্তী জেরা ১৮ ফেব্রুয়ারি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৩:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার পরবর্তী জেরা ১৮ ফেব্রুয়ারি

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার আসামিপক্ষের জেরার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি। এর আগে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে জেরা মুলতুবি ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার। বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে জেরা শুরু হয়। আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্নার পক্ষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারুনুর রশীদকে জেরা করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।
 
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে রাজধানীর কাকরাইলে সুরাইয়া খানম নামের এক নারীর কাছ থেকে শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।
 
জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ।
 
খালেদা জিয়া ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন : বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডাব্লিউটিএ) নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
 
এর আগে ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি ও অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে ৫ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন তিনি। গত বছরের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ও অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা