kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

আওয়ামী লীগ নেতা মুরাদকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০৫:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আওয়ামী লীগ নেতা মুরাদকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও জালিয়াতির অভিযোগে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাকান গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহে আলম মুরাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের উপপরিচালক শেখ আবদুস ছালাম। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদক কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় অভিযোগ অস্বীকার করে শাহে আলম মুরাদ সাংবাদিকদের বলেন, 'আমি কোনো কম্পানি দখল করিনি, নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পেয়েছি। আমি প্রতিপক্ষের ষড়যনে্ত্রর শিকার। এ বিষয়ে দুদকের কর্মকর্তাকে সব বলেছি।' তিনি আরো বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।'

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ১ ফেব্রুয়ারি শাহে আলম মুরাদকে তলব করে নোটিশ পাঠায় দুদক। নোটিশে তঁাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় হাজির হতে বলা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, শাহে আলম মুরাদ জোর করে মাকান গ্রুপের চেয়ারম্যান হয়েছেন। ডিজনি ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপার কম্পানি হঠাত্ করেই দখল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। এ ছাড়া নামে-বেনামে তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পদ আছে বলে দুদকে আসা অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার অভিযোগে মুরাদের বিরুদ্ধে ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। এমনকি প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও লিখিত আবেদন করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো ব্যবসায়ী খায়রুল আলমের অভিযোগে বলা হয়, মুরাদ অবৈধভাবে কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যান হয়েছেন। কম্পানির পরিচালকদের শেয়ার বাতিল করেছেন অন্যায়ভাবে। পাশাপাশি জমা টাকা আত্মসাত্ করেছেন। অবৈধভাবে কম্পানির নামও পাল্টে দিয়েছেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে 'সন্ত্রাসীদের' হাত থেকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন ওই ব্যবসায়ী।

অভিযোগে আরো বলা হয়, কোনো রকম বার্ষিক সাধারণ সভা ছাড়াই কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহাজাহান ও পরিচালক রোকেয়া জাহান, মনসুর আলম বিউটি, সালমা আক্তার মনিকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তঁাদের সব শেয়ার। শাহে আলম মুরাদ ডিজনি ডিজাইনের কোনো শেয়ারধারী বা পরিচালক ছিলেন না। তিনি জালিয়াতি ও অসে্ত্রর মুখে দখল করে কম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা