kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

উপজেলা নির্বাচন

বিচ্ছিন্ন সহিংসতায় ২৮ কেন্দ্রে ভোট স্থগিত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ মার্চ, ২০১৯ ০১:৪৫ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



বিচ্ছিন্ন সহিংসতায় ২৮ কেন্দ্রে ভোট স্থগিত

বিচ্ছিন্ন গোলযোগের মধ্য দিয়ে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ৭৮ উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হয়। ব্যালট পেপার ছিনতাই, কেন্দ্র দখল ও ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের অনিয়মের কারণে ৬টি উপজেলার ২৮ কেন্দ্রের ভোট স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। অনিয়ম ঠেকানোর প্রস্তুতিকালে আনসারের গুলিতে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আহত হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে নৌকার সমর্থকদের হামলায় আরেক পুলিশ সদস্যের আহত হওয়ার খবর মিলেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে সহিংসতায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তা, আনসার সদস্যসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। এদিকে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে জয়পুরহাটের কালাইয়ে তিনজনের জেল-জরিমানা হয়েছে। নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের জন্য সিরাজগঞ্জ ও লালমনিরহাটে ভোটগ্রহণকারী সাত কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। 

গতকাল চেয়ারম্যান পদে ৬৪ উপজেলার ফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেছে ৪২ উপজেলায়, আর দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ২২টিতে। বাকি চারটিতে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। যদিও তাঁদের তিনজন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
এ ধাপে দেশের নির্বাচনযোগ্য ৪৮০ উপজেলার মধ্যে ১২টি জেলার মোট ৮৭টি উপজেলার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশনায় এবং প্রভাব সৃষ্টির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন ছয়টি উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করে। এ ছাড়া তিনটি উপজেলায় সব পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে গতকাল ভোট অনুষ্ঠিত হয় ৭৮টি উপজেলায়। এর মধ্যে ১২টি উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। তা ছাড়া ভোটকেন্দ্র স্থগিত হওয়ায় দুই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ফল ঘোষণা স্থগিত আছে। এসব কারণে গতকাল মোট ৬৪টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ফল ঘোষণা হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে উপজেলার প্রথম ধাপের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ মোটামুটি শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘চার বিভাগের ১২ জেলার ৭৮ উপজেলায় নির্বাচন হয়েছে। আমাদের কাছে যে তথ্য এসেছে, তাতে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাঁচ হাজার ৮৪৭টি কেন্দ্রে ভোট হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ২৮টি কেন্দ্রের ভোট বাতিল করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোতে পরবর্তী সময়ে ভোটগ্রহণ করা হবে। অন্যান্য কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে।’

গতকাল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মোট ছয়টি জেলায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্থগিত হয়েছে কুড়িগ্রাম জেলায়। সেখানে পাঁচটি উপজেলায় ১২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, শিবরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টগরাইহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মালডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র; চিলমারী উপজেলার খালেদা শওকত পাটোয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চরবৈলমনডিয়ার খাতা প্রাথমিক বিদ্যালয়; রৌমারী উপজেলার ধনারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; নাগেশ্বরী উপজেলার কুঠি নাওডাঙ্গা ইবতেদায়ি ফোরকানিয়া মাদরাসা ও পূর্ব পায়রাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং উলিপুর উপজেলার মদিনাতুন উলুম দাখিল মাদরাসা, হকুডাঙ্গা ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিসামত মালতিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। কেন্দ্রটি হচ্ছে ভোটহাটখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সিরাজগঞ্জে স্থগিত হওয়া কেন্দ্র হলো, সদর উপজেলার মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,  শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরী মহিউল ইসলাম সিনিয়র মাদরাসা ও শ্রীফলতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

রাজশাহীতে দুটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়েছে। এর একটি গোদাগাড়ী উপজেলার আলজামিয়াতুল সালাফিয়া মাদরাসা। অন্যটি বাগমারা উপজেলার একটি কেন্দ্র। 

সুনামগঞ্জে সাতটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে সদর উপজেলার তেঘড়িয়া মাদরাসা, বড়পাড়া আব্দুর রহমান পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়; ছাতক উপজেলার নাদামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; তাহিরপুর উপজেলার দিঘলবাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শাল্লা উপজেলার ইয়ারাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আনন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। হবিগঞ্জে দুটি কেন্দ্র স্থগিত হয়েছে। বানিয়াচং উপজেলার শাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আজমেরীগঞ্জ উপজেলার ৪৩ নম্বর পশ্চিমভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

এদিকে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ভাওয়ালকুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হাঙ্গামা ঠেকানোর প্রস্তুতিকালে আনসার সদস্য মাইদুলের (৩৫) বন্দুকের গুলিতে পুলিশ সদস্য মোন্নাফ (৪৩) পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে হামলার চেষ্টাকালে সদর উপজেলার কিশলয় আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশ দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

গতকাল সকাল ১১টার দিকে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার শাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইকরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় শাহপুর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার প্রভাষক জাহির আলম, পুলিশ সদস্য জামাল উদ্দিন (২২), আনসার সদস্য আব্দুল মালেকসহ (৩৮) ছয়জন আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুপুর ১২টার দিকে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিমবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। জেলার চুনারুঘাট উপজেলার কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় দুই ঘণ্টা ভোটগ্রহণ স্থগিত থাকে। একই উপজেলার গাজীপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে হামলায় চারজন আহত হয়।

বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জের ৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও শাল্লা উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়াধাওয়ির ঘটনা ঘটেছে। তাহিরপুর উপজেলার চারটি ভোটকেন্দ্রে ৫০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও দুটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। দুপুরে তাহিরপুর উপজেলার বিন্নাকুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ৪০ রাউন্ড, কলাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক রাউন্ড, কড়ইগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার রাউন্ড, দিঘলবাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে পাঁচ রাউন্ড গুলি ও দুটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থীর সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করা হয়। দীঘলবাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। 

জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, কয়েকটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগে ছয়টি ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। 

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার ভোটকেন্দ্রে হামলা ও জাল ভোট দেওয়ার পৃথক ঘটনায় এক ইউপি সদস্যের ১০ দিনের জেল ও দুজনের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উদয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আমিনুল ইসলাম (৩৫) করমকা গ্রামের আন্তাজ আলী (৩৮) এবং পার্বতীপুর গ্রামের আতিকুর রহমান (২০)। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোবায়ের হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কালাই থানার ভ্রারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ জানান, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সাজাপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে নির্বাচনে আগের রাতে ভোট জালিয়াতির অভিযোগে একজন প্রিসাইডিং অফিসার ও দুজন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে আটক করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকার মোহাম্মদ রায়হান জানান, সদরের মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটের আগের রাতে জাল ভোট প্রদানে সহযোগিতা করায় প্রিসাইডিং অফিসার আনোয়ার হোসেন, সহকারী প্রিসাইডিং আব্দুল আলীম ও বেলাল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার। 

অন্যদিকে ভোটারের উপস্থিতির চেয়ে ভোট বেশি পড়ায় শাহজাদপুর উপজেলার শ্রীফলতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কৈজুরী মুহিব উল দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। কাজিপুর উপজেলায় জাল ভোট দিতে গিয়ে ইউপি সদস্যসহ চারজনকে আটকের পর অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দুপুরের দিকে উপজেলার খুদবান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। অর্থদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কাজিপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য শামীম হোসেন, একই গ্রামের জুয়েল রানা, বিপ্লব রানা ও আসিফ জাহান। এ ছাড়া সিরাজগঞ্জ সদরে জাল ভোট দেওয়ার সময় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলো পৌর এলাকার ধানবান্ধি মহল্লার ছানোয়ার হোসেন ছানার ছেলে সাকিব (১৬) ও তার সহযোগী একই এলাকার নাঈম (১৮)। 

লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার মধ্যে প্রথম ধাপে চারটির ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগে পাটগ্রাম উপজেলার খারিজা উপেনচৗকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দুজন নির্বাচনী কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও উপজেলার ভাণ্ডারদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এ কে এম আসাদুজ্জামান খান এবং পোলিং এজেন্ট আনিছুর রহমান।

পাটগ্রাম থানার ওসি মনছুর আলী সরকার জানান, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এ কে এম আসাদুজ্জামান খান ও পোলিং এজেন্ট আনিছুর রহমান নিজেরা ভোট দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।

এদিকে পাটগ্রাম পৌর শহরের ইসলামী আদর্শ বিদ্যানিকেতন ভোটকেন্দ্রে নৌকা ও আনারস প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়াধাওয়ির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর স্বতন্ত্র প্রার্থী ওয়াজেদুল ইসলাম ওই কেন্দ্র পরির্দশনে গিয়ে নৌকার পোলিং এজেন্ট বুলবুল আহমেদকে (২৫) মারধর করেন। পরে তাঁকে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া ভোটগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে কালীগঞ্জ উপজেলার বাণীনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার রেজাউল করিম রেজাকে প্রত্যাহার করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা