kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

ওসিসহ আহত ৬

সীতাকুণ্ডে ডাকাত-পুলিশ বন্ধুকযুদ্ধ, আগ্নেয়াস্ত্রসহ চার ডাকাত গ্রেপ্তার

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৭ মার্চ, ২০১৯ ১৫:২৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সীতাকুণ্ডে ডাকাত-পুলিশ বন্ধুকযুদ্ধ, আগ্নেয়াস্ত্রসহ চার ডাকাত গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত-পুলিশ বন্ধুকযুদ্ধে ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বুধবার গভীর রাতে উপজেলার সলিমপুর ফকিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ডাকাতির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার এবং চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সীতাকুণ্ড থানার পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিং এ কথা জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, বুধবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সলিমপুর ফকিরহাট কাজীপাড়ার সৈয়দ মনজুর হায়াতের ঘরে একদল ডাকাত ভারি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ খবরের সত্যতা যাচাইয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) সুমন বণিককে সেখানে পাঠানো হয় এবং সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) শম্পা রানী সাহার নেতৃত্বে ওসি দেলওয়ার হোসেন, পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসেন, পরিদর্শক (অপারেশনস) জাব্বারুল ইসলাম, এসআই সুজায়েত, এসআই হারুন, নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. শহীদুল্লাহ সেখানে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা গুলি শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়তে থাকে পুলিশও। 

পাল্টাপাল্টি এই বন্ধুকযুদ্ধে ছররা গুলিতে ওসি মো. দেলওয়ার হোসেন, ওসি (ইন্টেলিজেন্স) সুমন বণিক, এসআই হারুনসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হন। এ সময় সেখানে এসে যোগ দেন চট্টগ্রাম উত্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মসিউদ্দৌলা রেজা, ফৌজদারহাট ফাঁড়ির ইনচার্জ রফিক আহমেদ মজুমদার, সার্জেন্ট সাইফুল ইসলাম।

একপর্যায়ে ডাকাতদের ঘিরে ফেলে রাত আড়াইটার দিকে পুলিশ সেখান থেকে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্রসহ চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মুছাপুর গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে মো. সোহাগ (৩৪), সীতাকুণ্ডের দক্ষিণ সলিমপুর কাজীপাড়ার শফিউল আলমের ছেলে মো. সালাউদ্দিন (৩১), সলিমপুর উত্তর ফকিরপাড়ার ফকির আহম্মদের ছেলে কামরুল হাসান (২৬) ও কুমিল্লার নুরুল হকের ছেলে রবিউল হাসান জুয়েল (২২)। 

এ সময় ডাকাতদের কাছ থেকে ১টি বিদেশি রকেট লঞ্চার, ১টি বিদেশি একনলা বন্ধুক, ১টি বিদেশি টু টু বোর রাইফেল, ১টি দেশীয় তৈরি এলজি, ৮টি রকেট লঞ্চার সেল, ১৪টি কার্তুজ, কাটার, হাতুড়ি, শাবল, রডসহ বিভিন্ন ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

পরে ওসিসহ আহত পুলিশ সদস্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তবে তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত। এ বিষয়ে থানায় অস্ত্র মামলা, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা ও পুলিশের ওপর হামলার বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা