kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৪ অক্টোবর ২০১৯। ৮ কাতির্ক ১৪২৬। ২৪ সফর ১৪৪১       

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

‘আলোর ফেরিওয়ালা’ এখন চকরিয়ায়

মাত্র পাঁচ মিনিটে বিদ্যুৎ সংযোগ

ছোটন কান্তি নাথ, চকরিয়া (কক্সবাজার)    

২৪ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৩:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাত্র পাঁচ মিনিটে বিদ্যুৎ সংযোগ

চকরিয়ার কাকারায় পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির বিদ্যুৎ সংযোগ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন অতিথিরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

চলতি বছরের মধ্যে কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে দুই উপজেলার ২৫ ইউনিয়ন, চকরিয়া পৌরসভার আংশিক এলাকায় ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ কর্মসূচিতে কোনো ঝামেলা ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে চকরিয়ার খুটাখালী, হারবাং, বরইতলী, ফাঁসিয়াখালী ও কাকারা ইউনিয়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাত্র ৫ মিনিটে সংযোগ দিচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

ভ্যানগাড়িতে করে প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও মিটারসহ বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান কার্যক্রম দেখে সাধারণ মানুষ রীতিমতো অবাক!

কক্সবাজার পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির নিয়ন্ত্রণাধীন চকরিয়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. মোসাদ্দেকুর রহমান, ওয়ারিং পরিদর্শক গোপাল দাশের নেতৃত্বে বুধবার সকালে  বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে কাকারা জামেয়া ইসলামীয়া ফোরকানিয়া হেফজ্খানা ও এতিমখানায় অনুষ্ঠানে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. শওকত ওসমান ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ফোরকানিয়া পরিচালনা কমিটির সভাপতি জসীম উদ্দিন ছিদ্দিকী, মসজিদুল আদ’ন এর ইমাম মৌলভি এরফান উল্লাহ, ফুটবলার নুরুল আবচার, আরমান, আবদুর রাজ্জাক, মো. রাশেদুল ইসলাম, মহিউদ্দিন মাহমুদ খোকা, মোহাম্মদ শাহীন, মাস্টার শাহদাত হোছাইন, ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।

পল্লী বিদ্যুতের চকরিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. মোসাদ্দেকুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ

হাসিনার লক্ষ্য হচ্ছে ২০২০ সালের মধ্যে পুরো বাংলাদেশকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় নিয়ে আসা। একটি ঘরও যাতে বিদ্যুৎ ছাড়া না থাকে সেজন্য ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ কার্যক্রমের মাধ্যমে ঝামেলামুক্ত বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হচ্ছে মাত্র ৫ মিনিটে।

ওয়ারিং পরিদর্শক গোপাল দাশ জানান, ‘আলোর ফেরিওয়ালা’র মাধ্যমে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। তবে জামানত হিসেবে নেওয়া হচ্ছে আবাসিকে মাত্র ৪০০ ও বাণিজ্যিকে ৮০০ টাকা। এর বাইরে শুধু আবেদন ফি ১১৫ টাকা ও সদস্য ফি নেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকা।

কাকারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শওকত ওসমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনার জন্য বর্তমান সরকারের আলোর ফেরিওয়ালা কার্যক্রম যাতে পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয় সেজন্য পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে সহায়তা দেওয়া হবে। ইউনিয়নের যেসব বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই সেসব পরিবারের তালিকা করে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা