kalerkantho

শনিবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৮। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৭ সফর ১৪৪৩

সে কেন জলের মতো ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

অসিত দেবনাথ অন্তু, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১১ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



সে কেন জলের মতো ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

পুরুষ হরিণ হয়ে চিতার চোখের ভয়-চমক এবং নিজের মৃত্যুর আশঙ্কা উপেক্ষা করে চলেছেন ঘাইহরিণীর ডাকে সাড়া দিতে। তবু এই ভালোবাসা ধুলো আর কাদা, বলেছেন তিনিই। কোনো এক বোধকে তিনি মড়ার খুলির মতো ধরে আছাড় মারতে চান। কিন্তু সে জীবন্ত মাথার মতো ঘোরে তার মাথার চারপাশে। পৃথিবীর জন্ম-মৃত্যুর স্বাভাবিকতাকে বীজক্ষেত অনুভব করে নিজেই বলেছেন এসব তার মুদ্রাদোষ। নিজেকে জিজ্ঞেস করেছেন, কেন সে জলের মতো ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়। নক্ষত্রেরও অধিক বেগে সময় চলে যায়, তবু অপেক্ষার ২৫ বছর ফোরায় না। একটি আদিম রাতের ঘ্রাণ বুকে নিয়ে তিনি বয়ে আনেন এমন সব বাণী, যা কেউ কোনো দিন জানেনি। মহাসময় ও মহাজীবন নিয়ে তৈরি করেছেন একের পর এক জাদুকরী জাল। অনুভূতির শাখাগুলোতে দক্ষ বানরের মতো দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। মহাকালের স্রোতে মানুষের জগৎ যে এত ক্ষুদ্র ও বৃহৎ, নিচু ও মহৎ তা ১৯৩৬ সালে প্রথম প্রকাশিত তৎকালীন দুই টাকা মূল্যের ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’তে লিখে জীবনানন্দ দাশ চলে গেছেন এদের ছেড়ে।

অনুলিখন : পিন্টু রঞ্জন অর্ক