kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

বৈচিত্র্য ও মিতব্যয়িতার কবি লুইস গ্লিক

দুলাল আল মনসুর

১৬ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



বৈচিত্র্য ও মিতব্যয়িতার কবি লুইস গ্লিক

‘নীল স্নোস্যুট পরে আমার ছেলে বরফের ওপর উবু হয়ে বসেছে।’ ‘একজন পুরুষ ও একজন নারী একটা সাদা বিছানায় শুয়ে আছে।’ ‘আমি কথা বলছি, কারণ আমি ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছি।’

২০১২ সালে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম পান যুক্তরাষ্ট্রের কথাসাহিত্যিক টনি মরিসন। তখনকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছ থেকে তিনি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। সে সময়ে তোলা একটা ছবিতে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁকে যেভাবে দেখা যায়, আরেকটা ছবিতে ওবামার সঙ্গে সে রকমই দেখা যায় ২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেলজয়ী কবি ও প্রবন্ধকার লুইস গ্লিককে। দ্বিতীয় ছবিটা ২০১৫ সালের। সে বছর হোয়াইট হাউস থেকে ওবামা লুইস গ্লিককে ন্যাশনাল হিউম্যানিটিজ মেডেল পরিয়ে সম্মানিত করেন। দুটি ছবিতেই বর্ষীয়ান লেখকদের প্রতি ওবামার বিনয় মেশানো মাতৃভক্তিও প্রকাশ পাচ্ছে। দুজনের মধ্যে আরো অনেক মিল আছে : ১৯৯৩ সালে টনি মরিসন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। দুজনেরই ব্যক্তিত্বে সহজ সরল অভিব্যক্তির প্রকাশ। সবচেয়ে বড় মিল তাঁদের সাহিত্যের অবদানে : দুজনই শিক্ষক হিসেবে উত্তর প্রজন্মের অনেক লেখক-কবি তৈরিতে বিশেষ ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। টনি মরিসন সম্পাদক হিসেবেও নবীন সাহিত্যের বেড়ে ওঠা দেখেছেন একদম ভেতর থেকে। মরিসনের মতোই লুইস গ্লিকও হাজার হাজার শিষ্যকে পথ দেখিয়েছেন, যাঁরা এখন সাহিত্যজগতে আলো ছড়াচ্ছেন। শ্রেণিকক্ষে পড়ানো ছাড়াও নিজের বাড়ির টেবিলেও অনেককে দীক্ষা দিয়েছেন গ্লিক। এমনকি বাড়ির বাগানে পর্যন্ত তাঁদের জন্য সময় দিয়েছেন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক লুইস গ্লিক। পরবর্তীকালে পুরস্কার পেয়েছে তাঁর শিষ্যদের এমন অনেক বই তাঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিশীলিত রূপ পেয়েছে। তাঁর নোবেল পুরস্কার পাওয়ার খবরে এমন অনেক লেখক-কবি যাঁরা তাঁর কাছ থেকে সরাসরি কিংবা পরোক্ষে দীক্ষা পেয়েছেন, পথের দিশা পেয়েছেন তাঁরা সবাই মনে করছেন, তাঁদের নিজেদের জীবনকেই নোবেল পুরস্কারের মাধ্যমে সম্মান জানানো হলো।

তাঁর প্রথম বইয়ের পক্ষে খুব জোরালো ইতিবাচক সমর্থন পাননি গ্লিক। প্রথম কবিতার বই ‘ফার্স্টবর্ন’ সম্পর্কে আলোচনায় একজন মন্তব্য করেছিলেন, তাঁর পরবর্তী কবিতা কেমন হবে তা জানা যাচ্ছে প্রথম বই থেকে। এমন ভাবীকথনের গোড়া কেটে দেন পরবর্তী বই ‘দ্য হাউস অন মার্শল্যান্ড’ লেখার মধ্য দিয়ে। প্রথম বই থেকে তাঁর কবিসত্তার রূপ-চেহারা বদলে ফেলেন, গতিপথে পরিবর্তন নিয়ে আসেন। তাঁর দ্বিতীয় বইটা প্রকাশের পর অনেক সমালোচকই মন্তব্য করেন, তিনি নিজস্ব কবিকণ্ঠ আবিষ্কার করে ফেলেছেন। এ বইটাই তাঁর সামনে চলার সার্থক প্রথম পদক্ষেপ বলে মনে করেন তাঁরা। এ প্রসঙ্গে কবির নিজেরও একই মতামত। নোবেল পুরস্কার ঘোষণার পর তাঁকে ফোন করেন নোবেল মিডিয়ার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অ্যাডাম স্মিথ। তিনি জিজ্ঞেস করেন, ‘নতুন পাঠকরা আপনার লেখার কোন পর্যায় থেকে শুরু করতে পারেন বলে মনে করেন? যাতে আপনার লেখার বৈশিষ্ট্য তাঁরা ধরতে পারেন। উত্তরে গ্লিক বলেন, ‘সরাসরি তেমন কোনো পর্যায়ের কথা বলা যায় না। কারণ বইগুলো একটা থেকে আরেকটা বেশ আলাদা, ভিন্ন রকমের। তাঁদের জন্য আমার পরামর্শ হলো, তাঁরা যেন আমার প্রথম বই থেকে শুরু না করেন, বিশেষ করে আমার প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করতে না চাইলে। তবে সেটার পর থেকে যেকোনোটাতেই তাঁরা আকর্ষণীয় কিছু পাবেন।’ অর্থাৎ প্রথম বইটা সম্পর্কে কবির নিজের কিছুটা অস্বস্তি এখনো আছে।  

তিনি যখন বুঝতে পারেন, নিজেকে পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করতে, বর্ণনা করতে পারছেন তখনই ওই কাজ থেকে বিরত হয়ে যান। তাঁর ইচ্ছা ধাবিত হয় অপ্রত্যাশিতকে ধরার অবিরত যাত্রায়। কবির অর্জনের মধ্যে সতত পরিবর্তন আনা শুধু ইচ্ছা নয়, তাঁর প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে। অনুজ কবিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যাঁরা লেখালেখি করেন তাঁদের কারো কারো জন্য আমার কিছু বলার থাকলে শুধু এটুকু বলতে চাই, আপনারা চুপ করে বসে থেকে নিজেদের বারবার একই চেহারায় উপস্থাপন করবেন না। এটা একটা ব্যর্থতা এবং অবশ্যই সাংঘাতিক একটা বিষয়; কারণ শিল্পের স্বপ্নটা এমন নয় যে, এরই মধ্যে যা জানা হয়ে গেছে তা আবার বলা যাবে। বরং যা লুকানো আছে তার ওপরে আলো ফেলতে হবে।’ কবি কথাটার ওপরে তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে থাকেন। তিনি মনে করেন, ‘কবি’ শব্দটা সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। কবি একটা উচ্চাশার নাম, এটা পেশার নাম নয়। অন্য কথায় বলা যায়, ‘কবি’ শব্দটা পাসপোর্টে ব্যবহারের মতো কোনো বিশেষ্য নয়। এই পরিচয়কে তিনি ঋদ্ধ করেন শৈলী ও বিষয়ের বৈচিত্র্যে।  

লুইস গ্লিকের কবিতার প্রথম উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো তাঁর বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য। অবশ্য বিচিত্র বিষয়ের মধ্যেও সাধারণ কিছু বিষয় বেশি চোখে পড়ে তাঁর কবিতায়। মৃত্যু, প্রত্যাখ্যান, সম্পর্কের ব্যর্থতা, রোগ কাটিয়ে ওঠা, যেকোনো রকম ক্ষতি—এসব বিষয় বেশি এসেছে তাঁর কবিতায়। কোনো কবিতায় প্রচলিত সুখের চিত্র কিংবা সন্তুষ্টির আবহ থাকলেও কবি অপাপবিদ্ধতা, হারানোর ভয়, বিচ্ছেদ, ভঙ্গুরতা কিংবা মৃত্যু সম্পর্কে সচেতন থাকেন। তাঁর ‘ডিসেন্ডিং ফিগার’-এর ‘অবেড’ বা ‘প্রভাতী’ কবিতায় গাঙচিলের ডাকের কথা বলছে কথক। বাইরে গাঙচিলের ডাকের মধ্যেই তার সঙ্গী তাকে ডেকে তুলছে ঘুম থেকে। শহরের ওপর দিয়ে গাঙচিলের উড়ে যাওয়া দেখতেই ঘুম থেকে ডাকা হচ্ছে। আপাত শুনে মনে হতে পারে ভোরের একটা সুন্দর আবহ। কিন্তু ভোরের এই অন্তরঙ্গ পরিবেশ বিষাদের গভীরতার দিকে ঢুকে পড়ে। কথকের কাছে গাঙচিলের ডাক খুব সাধারণ মনে হয়। তবে খেয়াল করার বিষয় হলো, গাঙচিল উড়ে উড়ে ডেকে যাচ্ছে শহরের ওপর দিয়ে। গাঙচিলের স্বাভাবিক বিচরণক্ষেত্র এটা নয়। এই ডাকের পেছনে আছে তার ক্ষুধা। মানুষের ডাকও ভিন্ন নয়। গাঙচিল শরীরের ক্ষুধা মিটিয়ে ফিরে যাবে। মানুষেরও ফিরে যেতে হয়। নিকটজনের কাছ থেকে বিদায় নিতে হয়।   

আইরিশ কথাসাহিত্যিক কবি-সমালোচক কলাম টইবিন নোবেল পুরস্কার ঘোষণার পরদিন ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এ একটি লেখায় গ্লিকের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ‘তাঁর কণ্ঠের প্রতিভা ও সাহস সম্পর্কে একটা কবিতার উদাহরণ দিতে গেলে তাঁর ‘দ্য ওয়াইল্ড আইরিস’ সংকলনের প্রথম কবিতা থেকে দুটি পঙিক্ত উল্লেখ করা যায় : ‘আমার দুর্ভোগের শেষে/একটা দরজা ছিল।’ আমি তাঁর কাছ থেকে সরাসরি শুনেছি, এই চিত্রকল্পটা বহুদিন তাঁর সঙ্গে ছিল। তারপর তিনি চিত্রকল্পটা ব্যবহার করার সঠিক জায়গা খুঁজে পান। এখানকার কবিতাগুলোর পরম্পরায় গ্লিক প্রকৃতিকে অনুসরণ করেন চোলাই করা শব্দচয়নের মাধ্যমে। তাঁর স্বরের সবটুকু ভরাট করেন করুণা আর বিস্ময়ের তরলে। তবু চেষ্টা ও লড়াইয়ের একটা বোধ চলমান থাকে। তাঁর কবিতার প্রায় সবখানেই একটা জগতের চিত্র পাওয়া যায়, যেখানে অগ্নিপরীক্ষা আর বিস্ময়ের মধ্যে সংগ্রাম চলে। সুললিত তবে ধারালো শব্দবন্ধ এবং ইঙ্গিতবাহী ও যথাযথ শব্দের জন্য তাঁর নিজের চিন্তার মধ্যে চলমান সংগ্রামের ফল হলো তাঁর কবিতা; তাঁর কবিতা পাঠের সবটুকু সময় জুড়েই এমন একটা বোধ কাজ করে।’ দুটি কবিতা থেকে পাশাপাশি দুটি উদাহরণ হাজির করলে বিষয়টা আরো পরিষ্কার হতে পারে। তাঁর ‘ইলুমিনেশনস’ কবিতায় একটা শিশু ভাষা শেখার সময় বাইরের বরাফাচ্ছন্ন জগতের দিকে তাকায়। কবিতার শুরুতে বলা হয়, ‘নীল স্নোস্যুট পরে আমার ছেলে বরফের ওপর উবু হয়ে বসেছে।’ ‘হ্যাপিনেস’ নামের আরেকটা কবিতার শুরুতে বলা হচ্ছে, ‘একজন পুরুষ ও একজন নারী একটা সাদা বিছানায় শুয়ে আছে।’ দুটি কবিতার কোনোটাতেই সাংঘাতিকভাবে চমকে দেওয়ার মতো কিছু নেই। সব পরিচিত চিত্র। মনে হচ্ছে, তারা পারিবারিক অ্যালবাম থেকে বের হয়ে এসেছে।

লুইস গ্লিকের নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর আমেরিকার কবি ও সমালোচক ড্যান শিয়াসন ‘দ্য নিউ ইয়র্কার’ পত্রিকায় মুগ্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘দশকের পর দশক ধরে আমাদেরকে তিনি আমাদের অভ্যন্তরীণ জীবনের দেহরেখা চিনিয়েছেন।’ একই রকম প্রতিক্রিয়া আরো অনেককে প্রকাশ করতে দেখে তিনি কারণ উল্লেখ করার চেষ্টা করে বলেন, ‘সবার মধ্যে ব্যাপক আনন্দের কারণ খুব সহজ ও গভীর। সহজ এই দিক থেকে যে লুইস গ্লিক নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মতোই মহান লেখক। তাঁর লেখার মধ্যে আছে রোমাঞ্চ ও বিস্ময়। একই সঙ্গে খুব চেনাজানা বা একান্ত, আবার মহিমান্বিত। যাঁরা শুধু কবিতা পড়েন এবং যাঁরা প্রায় কবিতা পড়েনই না তাঁদের উভয়ের কাছেই তিনি প্রিয়।’ আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি বিলি কলিন্সের মতো সারা দেশে অতটা জনপ্রিয় না হলেও কবিতাবোদ্ধাদের কাছে তিনি সিরিয়াস কবি হিসেবে অবশ্যই প্রিয়। তাঁর কবিতাও জীবনের নানা অনুষঙ্গে সরাসরি প্রসঙ্গিক। এ রকম একটি ঘটনার উল্লেখ করে শিয়াসন বলেন, “একদিন কবিকে বললাম, তাঁর বই ‘দ্য ওয়ালইল্ড আইরিস’ থেকে কবিতা পড়ে আমাদের এক বন্ধু তাঁর নতুন বউয়ের মন মজানোর চেষ্টা করছেন। শুনে তিনি হাসলেন। হেসে বললেন, ‘যারা আত্মিক বিষয়ের মাধ্যমে তাঁদের ইন্দ্রিয়জ প্রয়োজনের বিষয় দেখতে চান তাঁদের জন্য এ বইটা বেশ কাজের।’ তাঁর মতো মানুষ কবি হয়েছেন বলেই আমাদের জীবন আশীর্বাদে সিক্ত হয়েছে।”

একনজরে

পুরো নাম : লুইস এলিজাবেথ গ্লিক।

জন্ম : ২২ এপ্রিল ১৯৪৩, নিউ ইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।

পেশা : কবি, প্রাবন্ধিক, অধ্যাপক।

পড়াশোনা : সারাহ লরেন্স কলেজ, কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি।

লেখায় বিশেষ জোর : শৈশব ও পারিবারিক বন্ধন। কোনো কোনো রচনায় তিনি গ্রিক ও রোমান মিথের পুনর্নির্মাণ করেছেন।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ : ১২টি কাব্যগ্রন্থ, কবিতার ওপর কয়েক খণ্ড প্রবন্ধের বই লিখেছেন তিনি। এর মধ্যে প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ফার্স্টবর্ন’ (১৯৬৮), কাব্যগ্রন্থ ‘দ্য ট্রায়াম্ফ অব অ্যাকিলিস’ (১৯৮৫), অ্যারারাট’ (১৯৯০), ‘দ্য ওয়াইল্ড আইরিস’ (১৯৯২), ‘ভিটা নোভা’ (১৯৯৯), অ্যাভার্নো’ (২০০৬), ‘ফেইথফুল অ্যান্ড ভার্চুয়াস নাইট’ (২০১৪), দুটি চ্যাপবুক ‘দ্য গার্ডেন’ (১৯৭৬) ও ‘অক্টোবর’ (২০০৪) এবং প্রবন্ধগ্রন্থ ‘প্রুফস অ্যান্ড থিওরিস : এসেস অন পোয়েট্রি’ (১৯৯৪) ও ‘আমেরিকান অরিজিনালিটি : এসেস অন পোয়েট্রি’ (২০১৭) উল্লেখযোগ্য।

যেসব বিষয়ে লেখকের প্রভাব রয়েছে

তাঁর লেখায় সাইকোঅ্যানালিসিসের প্রভাব রয়েছে বলে নিজেই জানিয়েছেন। রয়েছে লোককাহিনি, নীতিগর্ভ রূপক কাহিনি ও পৌরাণিক কাহিনিরও প্রভাব। মার্কিন কবি লিওনি অ্যাডামস ও স্ট্যানলি কুনিটজের রচনা দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে সাহিত্য সমালোচকদের মতে, তিনি মার্কিন কবি রবার্ট লয়েল, কবি এমিলি ডিকিনসন ও অস্ট্রীয় কবি-ঔপন্যাসিক রেইনার মারিয়া রিলকেসহ আরো অনেকের রচনা দ্বারা প্রভাবিত।

সুইডিশ একাডেমির মন্তব্য

তাঁর নিরাভরণ সৌন্দর্যের অভ্রান্ত কাব্যিক স্বর ব্যক্তির অস্তিত্বকে সর্বজনীন করে তোলে।

নোবেল ছাড়া উল্লেখযোগ্য অন্যান্য পুরস্কার

কবিতায় পুলিত্জার প্রাইজ (১৯৯৩)

বলিংগেন প্রাইজ (২০০১)

মার্কিন পোয়েট লরিয়েট (২০০৩-০৪)

ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড (২০১৪)

ন্যাশনাল হিউম্যানিটিজ মেডেল (২০১৫)

মন্তব্য