kalerkantho

রবিবার। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৭ জুন ২০২০। ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

বিশ্বসংগীত

র‌্যাপার রাফতার

১৪ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



র‌্যাপার রাফতার

ভারতে র‌্যাপসংগীত জনপ্রিয় করার পেছনে বড় অবদান রাফতারের। তরুণ এই র‌্যাপারকে নিয়ে লিখেছেন নাসরিন হক

কেরালার ছেলে ডিলিন নায়ার বড় হয়েছেন দিল্লিতে। তবে অনেক ভারতীয় তরুণ যেখানে ক্লাসিক্যাল অথবা পপ গানে মেতে থাকে, ডিলিন সেখানে ছিলেন র‌্যাপ আর হিপহপ গানের ভক্ত। ২০০৮ সালে কঠিন জেনেই নেন র‌্যাপার হওয়ার চ্যালেঞ্জ। নামটাও বদলে হন রাফতার। শুরুতে কাজ করতেন ইয়ো ইয়ো হানি সিংয়ের সঙ্গে। তাঁদের গানের দল ‘মাফিয়া মুন্দির’-এর হয়ে গান করতেন। তবে বছর তিনেক পর নিজের নামে ক্যারিয়ার গড়বেন বলে দল ছাড়েন। ইয়ো ইয়ো হানি সিংয়ের সঙ্গে ঝামেলাও ছিল আরেকটি কারণ।

২০১৩ সালে দেখা পান প্রথম হিটের। ‘বুলেট রাজা’ সিনেমার ‘তামানচে পে ডিসকো’ গানে পর্দায় দেখা যায় সোনাক্ষী সিনহা ও সাইফ আলী খানকে। একই বছর আরেকটি বড় হিট উপহার দেন—‘স্যোয়াগ মেরা দেশি’। এই গানের একটি লাইন ‘আব ইয়ে কারকে দিখাও’ ছিল হানি সিংকে কটাক্ষ করে লেখা। ২০১৩ সালের দুই হিট রাফতারকে তরুণদের মধ্যে পরিচিত করে, বলিউডও তাঁকে নিয়মিত কাজের সুযোগ দেয়। পরে তিনি গেয়েছেন ‘হিরোপান্তি’, ‘ফাগলি’, ‘গব্বর ইজ ব্যাক’, ‘সিং ইজ ব্লিং’, ‘আ ফ্লাইং জট’, ‘ঢিশুম’, ‘মান্টো’, ‘আন্ধাধুন’ ইত্যাদি ছবিতে।

বাংলা ছবিতেও কাজ করেছেন রাফতার। প্রসেনজিত্ চ্যাটার্জির ‘ওয়ান’ ও দেবের ‘চ্যাপ’-এ শোনা গেছে তাঁর কণ্ঠ। কাজ করেছেন দক্ষিণেও। এ পর্যন্ত তিনটি অ্যালবাম মুক্তি পেয়েছে তাঁর। এত পথ থাকতে র‌্যাপ গানের কঠিন পথ কেন বাছলেন? রাফতার বলছেন, ‘ছোটবেলায় অনেকের অনেক রকম নেশা থাকে। র‌্যাপ ছিল আমার নেশা। বড় হওয়ার পরও এই নেশা আমাকে ছেড়ে যায়নি। এখন মনে হচ্ছে স্রোতের বিপরীতে পথ চলার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুব সাহসী ছিল।’

ঘরবন্দি থাকার এই সময়টাকে তরুণ এই র‌্যাপার নিয়েছেন শেখার সময় হিসেবে। ‘সব ঠিক হয়ে যাওয়ার পর আর ছুটি মিলবে না, টানা কাজ করে যেতে হবে। সেই সময়ের জন্য যতটা সম্ভব নিজেকে প্রস্তুত করে রাখছি।’ বলেন তিনি।

মন্তব্য