kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

হোমায়েরা বশীর এখন

৯ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হোমায়েরা বশীর এখন

কিছুদিন আগেই প্রকাশ পায় প্রয়াত বশীর আহমেদের মেয়ে হোমায়েরা বশীরের তৃতীয় একক ‘অনুভূতির শিরায় শিরায়’। সামনে আসছে তাঁর আরো কিছু গান। লিখেছেন আতিফ আতাউর

“পাপা সব সময় চাইতেন সুর করি। আমাকে নানাভাবে অনুপ্রেরণা দিতেন। কিন্তু তখন গাওয়ার দিকেই বেশি মনোযোগ ছিল। কয়েক মাস আগে অধরা জাহান কিছু গান লিখে পাঠায়। পড়ে মনে হলো সুর করার চেষ্টা করি। তারই ফসল ‘অনুভূতির শিরায় শিরায়’”—সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা প্রসঙ্গে বলছিলেন হোমায়েরা বশীর। লেজার ভিশন থেকে প্রকাশিত এই অ্যালবামে গান রয়েছে চারটি—‘অনুভূতির শিরায় শিরায়’, ‘টুকরা অভিমান’, ‘অশ্রু মিষ্টি লাগে’ ও ‘তানপুরা আছে পড়ে’। তিনটি গানে হোমায়েরা কণ্ঠ দিলেও বাকিটা গেয়েছেন তাঁর ছোট ভাই রাজা বশীর। সব কটিরই কথা অধরা জাহানের। অ্যালবামের টাইটেল গানটির ভিডিও করে বাহবা পেয়েছেন। চলতি মাসে প্রকাশ করবেন দ্বিতীয় ভিডিও ‘টুকরা অভিমান’।

পহেলা বৈশাখে সিলেটি ভাষার সঙ্গে চলিত ভাষার সংমিশ্রণে একটি অ্যালবাম করতে চেয়েছিলেন এই গায়িকা। কাজ অনেকটা গুছিয়ে আনলেও শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে যায়। ‘শ্রোতাদের ভিন্ন স্বাদ দিতেই অ্যালবামটির জন্য সিলেটি ভাষা বেছে নিয়েছিলাম। বাকি কাজটুকু এখন করছি। এতে গান থাকবে চারটি। এ মাসেই সারগাম সাউন্ড স্টেশন থেকে প্রকাশ করতে পারব আশা করি’—বললেন তিনি। ২১ জুন বিশ্ব সংগীত দিবসে আরেকটি অ্যালবাম এবং একটি মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ পাবে। এখনই বিস্তারিত জানাতে চান না।   

কয়েক দিন আগেই ভারতীয় শিল্পী হৈমন্তী শুক্লার দেখা পেয়েছিলেন হোমায়েরা। এই শিল্পীর একটি গানের সুর করেছিলেন তাঁর বাবা বশীর আহমেদ। শুক্লার গান গেয়েই সংগীতে হাতেখড়ি হোমায়েরার। সে কথা জানিয়ে শুক্লার ‘ঠিকানা না রেখে ভালোই করেছো বন্ধু’ গেয়ে শোনান তাঁকে। শুনে প্রশংসার পাশাপাশি হোমায়েরাকে কিছু টিপসও দিয়েছেন শুক্লা। হোমায়েরাকে গানটি রিমেক করারও অনুমতি দেন।

বশীর আহমেদের গত প্রয়াণ দিবসে এনটিভির অনুষ্ঠানে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছিলেন হোমায়েরা বশীর ও রাজা বশীর। হোমায়েরা পরেছিলেন মায়ের শাড়ি আর রাজা বাবার শার্ট। হোমায়েরা বলেন, ‘পাপার কারণেই শিল্পী হওয়া। পাপা নেই, এখনো বিশ্বাস করতে পারি না। পাপার প্রয়াণ দিবসে হঠাৎ মনে হলো তাঁর শার্ট ছোট ভাইকে পরিয়ে দিই। আলমারি খুলতেই মায়ের শাড়িটা প্রথম চোখে পড়ল। ভাবলাম মায়ের শাড়িটা পরি। সে অনুষ্ঠানে শুধু পাপার গানই করেছিলাম।’ মা-ও তাঁদের ছেড়ে চলে গেছেন। মা-বাবাকে উৎসর্গ করে আলাদা গানও করেছেন দুজন। বশীর আহমেদকে নিয়ে গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

বাবার রেখে যাওয়া গানগুলো নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা হোমায়েরার। এখন করছেন বশীর আহমেদের হিন্দি গানগুলোর কাজ। শেষ হলেই প্রকাশ করবেন নিজেদের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে।

 

মন্তব্য