kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

গল্পটা চার কন্যার

বিশ্বজুড়েই এখন ওয়েব সিরিজের জয়জয়কার। পিছিয়ে নেই ভারতও। ‘আমাজন প্রাইম’-এ মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘ফোর মোর শটস প্লিজ’ নিয়ে লিখেছেন মামুনুর রশিদ

২৪ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গল্পটা চার কন্যার

অনু মেননের সিরিজটি মূলত চার বন্ধুর গল্প। মুম্বাই শহরে রাত নামলে চার বন্ধুর আড্ডা জমে। নিজেদের জীবনে আসা নানা ঝামেলা থেকে বের হওয়ার পথ খোঁজে সবাই। সে পথ পেতে না পেতেই আসে নতুন বাধা। এভাবেই এগিয়ে যায় গল্প।

চার বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন কীর্তি কুলহারি, সায়নী গুপ্তা, গার্বনি ও মানবী গাগ্রু। কীর্তি কুলহারির চরিত্রের নাম অঞ্জনা। এই অঞ্জনা চরিত্রটি একজন সিঙ্গেল মায়ের গল্প। সায়নী গুপ্তা করেছেন দামিনি। যে এক চাকরিজীবী নারী। গার্বনির করা উমাং চরিত্রটি একজন উভকামী নারীর। মানবী অভিনীত সিদ্ধি চরিত্রটি মায়ের অতি শাসনে হাঁপিয়ে ওঠা এক তরুণীর। চার তরুণীর ক্যারিয়ার সচেতনতা, স্বনির্ভরতা, ভালোবাসা ও যৌনতাকে ঘিরে নির্মিত এই সিরিজের ধারণা প্রীতিশ নন্দীর। আইডিয়া মাথায় আসার পর থেকেই তিনি চেয়েছিলেন ‘লন্ডন প্যারিস নিউ ইয়র্ক’ ও ‘ওয়েটিং’ সিনেমার পরিচালক অনু মেনন তাঁর এই সিরিজ পরিচালনা করুন। পত্রপাঠ সম্মতি জানান অনু। তাঁর মতে, ভারতীয় সিনেমায় নারীকে বরাবরই একটি ‘পণ্য’ হিসেবে দেখানো হয়। সেখান থেকে অনেকটা উল্টো পথেই হেঁটেছেন তিনি। নারীকে দেখেছেন ভিন্ন চোখে।

মূলত ‘সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি’, ‘ফ্রেন্ডস’, ‘হাউ আই মেট ইওর মাদার’-এর ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ‘ফোর মোর শটস প্লিজ’। তবে পরিচালকের দাবি, এ সিরিজের নিজস্ব একটি ভাষা আছে। সম্পূর্ণ ভারতীয় ধ্যানধারণা নিয়েই গল্প। অনু মনে করেন, নারীর অধিকার, নারীর অবস্থান পরিষ্কার করে তুলে ধরার উপযুক্ত সময় এখন। তিনি নিজে যখন প্রথম বলিউডে কাজ করতে এসেছিলেন তখনকার পরিবেশে একজন নারী হিসেবে তাকে যেভাবে মূল্যায়ন করা হতো, তার সঙ্গে আজকের পরিবেশের অনেক পার্থক্য। এই সিরিজে বদলে যাওয়া ভারতীয় সমাজের চিত্র পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি। আগামীকাল ২০০টির বেশি দেশে মুক্তি পাবে ১০ পর্বের সিরিজটি। গেল বছরের শেষভাগে ‘মির্জাপুর’ দিয়ে আলোচনায় ছিল ‘আমাজন’। ‘ফোর মোর শটস’ দিয়ে সেটারই পুনরাবৃত্তি চাইছে সংস্থাটি।

মন্তব্য