kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

যে কথা মনে পড়ে

চলছে স্টেজ শোর মৌসুম। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্টেজ মাতিয়ে যাচ্ছেন শিল্পীরা। স্টেজে ঘটে যাওয়া কিছু স্মরণীয় ঘটনা শেয়ার করেছেন কয়েকজন শিল্পী

২৪ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



 যে কথা মনে পড়ে

আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন

আবিদা সুলতানা

১৯৮০ সালের ঘটনা। তখনো আমার বিয়ে হয়নি। নেপালের একটি শোতে গান করতে গিয়েছিলাম। বাংলা গানের পাশাপাশি মানিক রত্না নামে এক নেপালি গায়কের একটা গান গাইছিলাম। তখন তিনিও স্টেজে উঠে যান একটা ক্যামেরা নিয়ে। যতক্ষণ তাঁর গান করছিলাম ততক্ষণ স্টেজের চারদিক থেকে নানা রকমভাবে আমার ছবি তোলেন। অনুষ্ঠান শেষে এসে শুনি আমাদের টিম লিডারের কাছে তিনি আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। তখন কী যে এক অনুভূতি হয়েছিল বলে বোঝাতে পারব না। একদিকে ভয় হচ্ছিল আরেক দিকে হাসি পাচ্ছিল। এখনো মাঝেমধ্যে ঘটনাটি মনে পড়ে।

 

সবাই আগুন খুঁজতে লাগল

আগুন

১৯৯৬-৯৭ সালের কথা। গান করতে করতে গিয়েছিলাম সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর। অনুষ্ঠানের আগে থেকে বেশ প্রচার-প্রচারণা হলো। মাঠভর্তি মানুষ এসেছে শোটি দেখার জন্য। কিন্তু স্টেজে উপস্থাপক আমার নাম ঘোষণা করতে না করতেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে সেখানে আগুন লেগেছে! রিউমারটা এমনভাবে ছড়াল সবাই আগুন খুঁজতে ব্যস্ত। আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের দুটি গাড়িও সেখানে গিয়ে হাজির! পরে সবার যখন ভুল ভাঙল, আবার গানের দিকে মনোযোগ দেয়। নামের কারণেই সেদিন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা কখনোই ভোলার নয়।

 

 

 

সবার ভালোবাসা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম

লিজা

২০০৮ সালে ‘তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পরের বছর আমেরিকায় প্রথম শো করতে যাই। সবেমাত্র প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়েছি আর তাই আমার প্রতি সেখানকার দর্শক-শ্রোতাদের আগ্রহটাও ছিল বেশি। প্রথম শোতে যাওয়ার পর থেকেই কেউ চকোলেট, কেউ পারফিউম, কেউ ব্রেসলেট, কেউ বা অন্য কিছু গিফট দিচ্ছিল। এর আগে দেশে শো করলে কেউ ফুল দিত, কেউ টাকা দিলেও আমি অবশ্য নিতাম না। কিন্তু আমেরিকায় পরিবেশটা ছিল আমার জন্য একেবারেই নতুন। সবার ভালোবাসা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। স্টেজ শো করতে গিয়ে আরো অনেক স্মরণীয় ঘটনার মুখোমুখি হয়েছি, তবে এটা আমার কাছে বিশেষ।

 

হঠাৎ দেখি স্টেজে তিন-চারটা মেয়ে

মাহতিম সাকিব

গত জুলাইয়ের ঘটনা। তখন মাত্র ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ গানটির কল্যাণে চারদিকে পরিচিতি পাচ্ছি। শোটি ছিল মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে। গান গাইতে গাইতে হঠাৎ দেখি স্টেজে তিন-চারটা মেয়ে। এরপর চারদিকে ভিড় লেগে গেলে। সবার একটাই দাবি, তাদের সঙ্গে সেলফি তুলতে হবে! এমন অবস্থা যে বেরও হতে পারছিলাম না। এমনকি আমার বাবাও আমার কাছে যেতে পারছিলেন না। পরে একজন এসে আমাকে উদ্ধার করেন। খ্যাতির বিড়ম্বনা সেদিনই টের পেয়েছি। এর পর থেকে আমি নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষী নিয়েই শো করতে যাই।

মন্তব্য