kalerkantho

বুধবার । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৮ ডিসেম্বর ২০২১। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

এ বছর ১৩ লাখ অতিথিকে স্বাগত জানাতে চায় সাগরকন্যা

মালদ্বীপের নীল জলে ফিরছেন ভ্রমণপিপাসুরা

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মালদ্বীপের নীল জলে ফিরছেন ভ্রমণপিপাসুরা

মালদ্বীপের স্বচ্ছ জলরাশি ও নির্মল বায়ুপ্রবাহ পর্যটকদের অশান্ত মনকে শান্ত করে দেয়

করোনা মহামারি কমতে থাকায় পর্যটক টানতে শুরু করেছে ভারত মহাসাগরের ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপ। এ বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে আট লাখের বেশি পর্যটক এসেছেন। ২০২১ সালে দেশটি মোট ১৩ লাখ পর্যটককে স্বাগত জানাতে চায়। গত আগস্টে যে সংখ্যক পর্যটক এসেছেন তা কমরানা-পূর্ববর্তী সময়কে অতিক্রম করে গেছে।

মালদ্বীপের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরেই দেশটিতে পর্যটকসংখ্যা আট লাখ অতিক্রম করেছে। ফলে আশা করা যায়, বছর শেষে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে। এমনকি সেপ্টেম্বর মাসে দৈনিক আগমনের হিসাবে দেখা যায় তা কমরানা-পূর্ববর্তী সময় ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের চেয়ে ৯.২ শতাংশ বেশি।

দেশটিতে সবচেয়ে বেশি আসছেন ভারতের অতিথিরা। ২২.৪ শতাংশ পর্যটকই এসেছেন দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটি থেকে। এর পরের অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। ২০.৪ শতাংশ পর্যটক এসেছেন রাশিয়া থেকে। এ ছাড়া জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন, সৌদি আরব, স্পেন, যুক্তরাজ্য, কাজাখস্তান এবং ফ্রান্স থেকেও বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসছেন মালদ্বীপে। ২০২০ সালে করোনার মধ্যেও মালদ্বীপে পর্যটক আসেন পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার। এর আগের বছর কমরানা-পূর্ববর্তী সময়ে ২০১৯ সালে পর্যটক আসেন ১৭ লাখ।

মালদ্বীপের অর্থনীতির প্রাণ বলা হয় পর্যটনকে। টুনা মাছের জন্য বিখ্যাত দেশটির বর্তমানে বড় শিল্প হলো পর্যটন। বৈদেশিক আয়ের ৬০ শতাংশই আসে এ খাত থেকে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পর্যটন খাত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মালদ্বীপের জিডিপিতে এক-তৃতীয়াংশ অবদান রাখে। দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মালদ্বীপের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২৭.৯ শতাংশ। করোনা মহামারির কারণে দেশটি ২০২০ সালের মার্চ মাসে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়, পরবর্তী সময়ে ১৫ জুলাই থেকে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য আবার খুলে দেওয়া হয়।

মালদ্বীপের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ অপরূপ নৈসর্গিক দ্বীপ হলুমালে। সমুদ্রের বালি দিয়ে গড়ে তোলা কৃত্রিম দ্বীপটিতে অবকাঠামো সুবিধাও চমৎকার। এ দ্বীপে গেলে মনে হবে যেন সাগরকন্যা মালদ্বীপ দুই হাত বাড়িয়ে ডাকছে তার অপার সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। বিশাল স্বচ্ছ জলরাশি, সমুদ্রের গর্জন, নির্মল বায়ুপ্রবাহ পর্যটকদের অশান্ত মনকে শান্ত করে দেয়। আর সাগরের নিচের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্যও রয়েছে ডাইভিং ক্লাব। ৯০ গেস্ট হাউসসমৃদ্ধ হলুমালেতে পর্যটক আকর্ষণে আরো রয়েছে মাইস পর্যটন, স্বাস্থ্য পর্যটন, খেলা, অ্যাডভেঞ্চার এবং বিলাসবহুল মার্কেটিংয়ের ব্যবস্থা। 

সূত্র : ডেইলি মিরর