kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

বড় শিল্প প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ নিতে হবে

নিয়ামুল কবীর সজল, ময়মনসিংহ   

৯ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২০১৫ সালে ময়মনসিংহ বিভাগ ঘোষণার পর বিভাগীয় জেলা হিসেবে নতুন মর্যাদা আর পরিচিতি পায় সোয়া দুই শ বছরের অধিক পুরনো জেলা ময়মনসিংহ। তখন থেকেই উন্নয়নে এই জেলাবাসীর প্রত্যাশা বেড়ে যায় অনেক বেশি। অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখা শুরু করে এই অঞ্চলের মানুষ। বিশেষ করে ভারী শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, মৎস্য এবং কৃষি—এসব খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আশা করেছিল ময়মনসিংহবাসী। সেই প্রত্যাশা পূরণে অনেক উন্নয়ন প্রকল্পই বাস্তবায়নাধীন আছে। তবে তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।  তাঁদের মতে, জেলায় ভারী শিল্প এখন মূলত ভালুকা উপজেলায়। গাজীপুরের শিল্প-সাফল্যের ধারাবাহিকতা এসে ঠেকছে ময়মনসিংহের ভালুকায়। এখানে দেশি-বিদেশি বেশ কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। ভালুকার শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ধারা ক্রমেই এগিয়ে আসছে ত্রিশালের দিকে। এই দুই উপজেলার ভারী শিল্পকে নিয়ে পরিকল্পিত উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা দরকার।

পোল্টিশিল্প এগিয়েছে ত্রিশাল ও ফুলবাড়িয়াতে। এই দুই উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও মুরগির খামার গড়ে উঠছে। এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে এখানে প্রয়োজন উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহযোগিতা ও বাজারজাতকরণের সুবিধা নিশ্চিত করা। জেলার মৎস্য খাতের সাফল্য দেশজুড়ে। ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় সব কটি উপজেলায় মাছ চাষ হচ্ছে এখন ব্যাপকভাবে। এতে বাড়ছে মাছের উৎপাদন। হচ্ছে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান। এই খাতটিকে নিয়েও বিশেষভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন।

ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহসভাপতি শংকর সাহা বলেন, ‘ময়মনসিংহের ইকোনমিক জোনটা যত তাড়াতাড়ি চালু হবে তত ভালো। এ ছাড়া নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘ময়মনসিংহ নতুন বিভাগ হয়েছে। তাই জেলায় পরিকল্পিতভাবে আরো ছোট-বড় শিল্প গড়ে তোলা জরুরি।’ অ্যাগ্রো-থ্রির কর্ণধার শামছুল আলম বাদল বলেন, ‘সরকারের প্রণোদনা সুবিধাটা সহজ করা এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় বাড়ানো দরকার।’