kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

সগিরা হত্যার ৩০ বছর পর

মেয়েকে স্কুল থেকে আনতে গিয়েছিলেন সগিরা সালাম মোর্শেদ। স্কুলের কাছে দুই ছিনতাইকারী তাঁর রিকশা থামায়। পালানোর চেষ্টা করলে দুর্বৃত্তরা সগিরাকে গুলি করে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই ওই হত্যাকাণ্ডে তছনছ হয়ে যায় তাঁর তিন মেয়ের জীবন। আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ ৩০ বছর পর আবার মামলাটির তদন্তে নেমেছে পিবিআই। কিন্তু কেন? উত্তর খুঁজেছেন এস এম আজাদ

২৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



সগিরা হত্যার ৩০ বছর পর

পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলামের কপালে চিন্তার ভাঁজ। কোনো সূত্র বা ক্লু নেই। নেই আলামতের হদিস। সাক্ষীরা বেঁচে আছে, না মরে গেছে কে জানে? অনেক পুরনো মামলা। অথচ আদালতের আদেশের কাগজ ছাড়া তেমন কিছুই নেই। রফিকুল ইসলাম মুখ ফসকে বলেই ফেললেন, ‘এই মার্ডার কেস দিয়ে আমাকেই মার্ডার করে ফেললেন স্যার!’

তাঁর সামনে বসে থাকা পুলিশ সুপার (এসপি) শাহাদাত্ হোসেনের জবাব, ‘চেষ্টা করে যান। আমরা তো আছি।’

১৭ জুলাই রাজধানীর রামপুরায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) অফিসে হত্যা মামলাটি তদন্তের জন্য আসে। ৩০ বছর আগে সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের মামলা। ছিনতাইকারীর গুলিতে নিহত হন গৃহবধূ সগিরা মোর্শেদ সালাম। এক ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে চার্জশিটও দেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তারপর একটি রিটের কারণে থেমে যায় মামলার কার্যক্রম। উচ্চ আদালতের নির্দেশে সেই মামলা এখন নতুন করে তদন্ত করতে হবে। সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৬০ দিন। শুরু হলো নতুন চ্যালেঞ্জ। অনেকটাই অসাধ্য সাধন করতে নামলেন তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক এসপি শাহাদাত্ হোসেনসহ পিবিআই।

ডকেটের খোঁজে

ডকেটে (মামলার নথিপত্র) অনেক কিছু থাকবে, এই আশায় শুরুতেই ডকেট উদ্ধার অভিযানে নামলেন তদন্ত কর্মকর্তা। সাধারণত আদালতের নির্দেশের কপি দেখিয়ে আগের তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে ডকেট নেন নতুন তদন্তকারী। কিন্তু পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম জানেনই না আগে কে ছিলেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা। ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের অফিসে এবং রমনা থানায় গিয়েও ডকেটের হদিস পাওয়া গেল না। তবে রমনা থানায় ১৯৯১ সালের আদালতের একটি আদেশ পেলেন তিনি, যেখানে মামলাটি ডিবিতে পুনঃ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই সূত্র ধরে ডিবিতে গিয়ে অনেক খুঁজে সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তার সন্ধান পান রফিকুল। উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম, যিনি ২৫তম তদন্তকারী ছিলেন। অর্থাত্ তাঁর আগে আরো ২৫জন মামলাটি তদন্ত করে ব্যর্থ হয়েছে। আদালতের নির্দেশ দেখিয়ে ডকেট চেয়ে নিলেন রফিকুল। তবে ডকেটে অনেক কিছু নেই। পাতা ছেঁড়া। উইপোকায় খেয়েছে।

 

সালাম কই

ডকেটে তেমন কিছু না পেয়ে শুরু হয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষীদের খোঁজ। তবে ঘটনাস্থল ৬৪ সিদ্ধেশ্বরীতে গিয়ে কোনো পুরনো লোক পাওয়া গেল না। সেখানকার অনেকে ঘটনাই জানেন না। একজন সাক্ষী ছিলেন চিকিত্সক রুমী, যিনি নিজের গাড়িতে সগিরা মোর্শেদকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেন। তাঁকে খুঁজে বের করলেন আইও। পাইওনিয়ার ডেন্টাল নামের ক্লিনিকের মালিক ডা. রুমি জানালেন,  মৃত্যুর আগে সগিরা তাঁকে কিছু বলে যাননি। তিনি বলেন, সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় তখন প্রায়ই ছিনতাই হতো। ডাক্তার রুমির কাছে কোনো তথ্য না পেয়ে মামলার অন্যতম সাক্ষী রিকশাচালক আবদুস সালাম মোল্লাকে খুঁজতে শুরু করেন আইও রফিকুল, যার রিকশায় করে মেয়েকে স্কুল থেকে আনতে যাওয়ার পথে খুন হন সগিরা। জানা যায়, সালামের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জে। সেখানে দুই দফায় চিঠি পাঠিয়েও সাড়া মেলেনি। শেষে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেয় পিবিআই। স্বজনরা জানান, আব্দুস সালাম মোল্লা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। অনেক দিন আসেন না। এত বড় ঢাকা শহরে কোথায় সালাম? তবু আশা ছাড়েননি রফিকুল। তিনি সিদ্ধেশ্বরী, রমনা ও খিলগাঁও এলাকার গ্যারেজগুলোতে বয়োজ্যেষ্ঠ রিকশাচালকদের কাছে জানতে চান।

প্রতিদিন চলে খোঁজ। একদিন সিদ্ধেশ্বরী এলাকার এক বুড়ো রিকশাচালক বলেন, ‘আমি এক রিকশাচালক সালামকে চিনি, যে খিলগাঁওয়ের একটি চায়ের দোকানে প্রায়ই আড্ডা দিতে আসে।’ তার ফোন নম্বর বা ঠিকানা জানাতে না পারলেও দোকানদারের একটি মোবাইল নম্বর দেন তিনি। ওই নম্বরে ফোন করে আইও রফিকুল পরিচয় দিয়ে বলেন, তিনি এক সালামকে খুঁজছেন, যিনি একটি হত্যা মামলায় সাক্ষী ছিলেন। দোকানি তখন বলেন, ‘তাঁর পরিচিত এক সালাম আছে, এই তো দোকানেই আড্ডা দিচ্ছে।’ রফিকুলের অনুরোধে ফোনটি সালামকে দেন দোকানি, সে স্বীকার করে, ‘স্যার, এক মহিলাকে নিয়ে যাওয়ার সময় ছিনতাইকারীরা গুলি করে মারছিল। নাম-ঠিকানা জানি না।’ ফোনের অপর প্রান্ত থেকে এ বক্তব্য শুনে উল্লাসে ফেটে পড়েন রফিকুল, বলেন, ‘আপনি থাকেন, আমি আসছি।’

রিকশাচালক আগের মতোই ঘটনার বর্ণনা জানালেন পিবিআইকে। রাজারবাগ মোড় থেকে সালামের রিকশায় ওঠেন সগিরা। কালীমন্দিরের দিকে যাওয়ার সময় একটি মোটরসাইকেলে দুজন লোক তাদের অনুসরণ শুরু করে। কিছুদূর যেতেই ব্যারিকেড দেয়। একটু খাটো সুঠামদেহী এক যুবক ব্যাগ টান দেয়। সগিরার হাতের বালা ধরেও টান দেয়। পাশে দাঁড়িয়ে থাকে আরেকজন লম্বা সুদর্শন যুবক, যার হালকা গোঁফ ছিল। একপর্যায়ে ছিনতাইকারী দুটি গুলি করে। একটি গুলি সগিরার ডান হাতে লাগে। অন্যটি বুকের বাঁ দিকে লেগে রিকশার হুডও ছিদ্র করে। এরপর ফাঁকা গুলি করে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের সামনে দিয়ে শান্তিনগরের দিকে চলে যায় মোটরসাইকেল আরোহীরা।

সাক্ষীদের কাছ থেকে নতুন কোনো তথ্য না পেয়ে ঘটনার সময়কার সংবাদপত্র বিশ্লেষণ শুরু করেন আইও। ১৯৮৯ সালের কয়েকটি সংবাদপত্র কাটিং থেকে তিনি তথ্য পান, ‘হাসপাতালে নেওয়ার আধা ঘণ্টা পর সগিরা মারা যান।’ ‘চিনে ফেলার কারণেই গুলি করে ছিনতাইকারীরা’। সংবাদেও তথ্য ছিল, সিদ্ধেশ্বরীতে ছিনতাই হলেও সগিরার আগে কেউ নিহত হয়নি।

 ছিনতাইকারী কেন খালি হাতে গেল?

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, আদালতে যে জব্দ তালিকা দেওয়া হয়েছে সেখানে সগিরার ব্যাগ ও বালা আছে। মানে ছিনতাইকারীরা কিছুই নেয়নি। তদন্তকারীদের সামনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়, গুলিতে সগিরা মোর্শেদ নিথর হয়ে পড়েন। ব্যাগ ও বালা নিয়ে টানাটানি করলেও কথিত ছিনতাইকারীরা কেন দুটির একটিও নেয়নি। তাহলে কি ছিনতাই করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না?

প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায়, ঘটনাস্থলে দুই খুনির উপস্থিতি দেখা যায়। তবে মামলায় কেন একজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট হলো? অন্য ছিনতাইকারী কে? উত্তর খোঁজা শুরু করেন তদন্তকারীরা।

 

কেন আদালতে রিট?

একটি রিটের কারণে সগিরা খুনের বিচার ২৮ বছর আদালতে আটকে আছে, এই তথ্যও খতিয়ে দেখেন পিবিআই কর্মকর্তারা। দেখা যায়, মারুফ রেজা নামের এক ব্যক্তির মা ওই আবেদন করেন। অথচ সগিরার পরিবারের সঙ্গে মারুফ রেজার কোনো সম্পর্ক বা বিরোধ নেই। তাহলে মারুফ রেজা কেন এই রিটের পেছনে? খোঁজ নিয়ে দেখা গেল, আদালতে সাক্ষীদের জবানিতেও মারুফ রেজার নাম এসেছিল। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই সগিরা খুনের মামলার তদন্ত তদারকি করছিলেন পিবিআই প্রধান পুলিশ উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বনজ কুমার মজুমদার। তিনি বলেন, ‘কেন ওই রিট করা হলো? এই মামলায় মারুফ রেজার মায়ের কী স্বার্থ সেটিও আমরা আমলে নিই। এর থেকেও ক্লু মেলে।’

 

১১২ দিনে আলোর হাতছানি

এরই মধ্যে আদালতের বেঁধে দেওয়া ৬০ দিন শেষ হয়ে যাওয়ায় আবেদন করে ১২০ দিনের সময় বাড়িয়ে নিয়েছে পিবিআই। সে সময়ও শেষ হওয়ার পথে। সবার মাথায় দুশ্চিন্তা। ১১২তম দিনে হঠাত্ই এক আলোর ঝলকানি নিয়ে হাজির হলেন রিকশাচালক আব্দুস সালাম। জানালেন, একটি কথা তাঁর মনে পড়েছে। সগিরা মোর্শেদ একজনকে চিনে ফেলেছিলেন। তিনি ঘাতকের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লম্বা, সুদর্শন, হালকা গোঁফের অধিকারী সেই যুবক। গুলিবিদ্ধ হওয়ার আগে নাম উল্লেখ করে সগিরা তাঁকে বলেছিলেন, ‘এই...তোমাকে আমি চিনি। তুমি এখানে কেন?’ ঘটনার পরে রমনা থানা পুলিশ আব্দুস সালামকে বলেছিল, ‘চিনে ফেলার কথা বলার দরকার নেই।’ এ কারণেই তিনি সাক্ষী দিতে গিয়ে এই সত্য চেপে যান। আবার তখন পুলিশ বলেছিল, ‘দুইবার দুই রকম সাক্ষী দিলে বিপদ হবে।’ এ কারণেও ভয়ে বিষয়টি চেপে গিয়েছিলেন সালাম। সগিরার ডাকা সেই নামটি সালাম মনে করতে পারেননি। তবে এটুকুতেই পিবিআই কর্মকর্তারা বলেন, ‘ইয়েস পেয়ে গেছি! দিস ইজ কনফার্ম। প্লানড মার্ডার।’

 

এবার বাদীর সন্দেহে সূত্র মেলানো

মামলার বাদী সগিরার স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরী পিবিআইকে পারিবারিক বিরোধের কিছু তথ্য দেন। সালামের ভাই ডা. হাসান আলী চৌধুরীর স্ত্রী ও সগিরার জা সায়েদাতুল মাহমুদার সঙ্গে ময়লা ফেলা, ছাদ দখল, মায়ের ভালোবাসা বেশি পাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে ঝগড়া হয়েছে। খুনের আড়াই মাস আগে ভাইকে দিয়ে সগিরাকে শায়েস্তা করার হুমকিও দেন সায়েদা। এসব অভিযোগ আমলে নিলেও গুরুত্ব দেননি তদন্তকারীরা। তবে পরিচিত কারো হাতে খুনের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরই এই সন্দেহ চলে আসে সামনে। কারণ একজন গৃহবধূর পেশাদার ছিনতাইকারীকে চেনার কথা নয়। শুরু হয় নতুন পথে তদন্ত। জানা যায়, টাঙ্গাইলের মারুফ রেজা সায়েদার ভাই আনাস মাহমুদ রেজওয়ানের ঘনিষ্ঠ। আনাস এখন প্লান ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তা আর মারুফ আবাসন ব্যবসায়ী। শুরুতে মারুফ রেজার হদিস মিলছিল না। বেইলি রোডের ৬৭ নম্বর সিদ্ধেশ্বরীর বাড়ির ফ্ল্যাটের তালিকায় তাঁর একটি ফোন নম্বর পান তদন্তকারীরা। সেখান থেকেই সূত্র মেলে। মামলা সচল হওয়ার খবর পেয়ে অবস্থান বদলের পাশাপাশি দাড়িও রাখেন আনাস। তদন্তের ১১৪তম দিনে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। আনাসই হলেন প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনার সেই লম্বা যুবক। এরপর একে একে ধরা পড়েন মারুফ রেজা, ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও সায়েদাতুল মাহমুদা। তাঁদের বয়স এখন ৫০ থেকে ৭০। চারজনই আদালতে হত্যার পরিকল্পনাসহ সবই বর্ণনা করেছেন। ডা. হাসান আলী চৌধুরীর চেম্বারে বসে মারুফকে ২৫ হাজার টাকার চুক্তিতে হত্যার নির্দেশনা দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী মারুফ যাত্রাবাড়ীর সন্ত্রাসী হরর মুন্নার কাছ থেকে ধারে অস্ত্র নেয়। আনাসও ঘটনাস্থলে তার সঙ্গে থাকেন। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, আসামিরা বয়স্ক হওয়ায় চিকিত্সক রেখে কৌশলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় আনাস আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমি জানতাম একদিন আমার এ অপরাধ ধরা পড়বে।’

 

আশায় বুক বেঁধে ৩০ বছর

গৃহবধূ সগিরা মোর্শেদের স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরী ছিলেন বিআইটি স্কুলের শিক্ষক। স্ত্রী খুন হওয়ার পর তিন মেয়েকে নিয়ে জীবনসংগ্রাম চালিয়েছেন একাই। আর স্ত্রী হত্যার বিচার চেয়ে ৩০টি বছর ঘুরে ফিরছেন প্রশাসন ও আদালতের দ্বারে। এখন স্ত্রী খুনে নিজের ভাই ও ভাবি জড়িত থাকার তথ্য পেয়ে স্বস্তির সঙ্গে এক রকম কষ্টেই আছেন তিনি। ‘আশায় বুক বেঁধে ছিলাম। পিবিআই যে কাজ করেছে এককথায় অসাধারণ। সততার সঙ্গে, দক্ষতার সঙ্গে তারা পরিশ্রম করে সত্যটা তুলে এনেছে। এত দিন পরে স্বস্তি পেলাম। তবে এই স্বস্তি আমার মনে চাপা কষ্টও দিচ্ছে। এমন তুচ্ছ কারণে আমার ভাই এই খুনে শরিক হতে পারে ভাবতে পারিনি। ভাবিই সব করিয়েছে হয়তো।’ তিনি জানালেন, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সাত বছরের মেয়ে সারাহাত সালমা চৌধুরীকে স্কুল থেকে আনতে গিয়ে হত্যার শিকার হন সগিরা মোর্শেদ সালাম। ওই মেয়ে এখন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। মেজো মেয়ে সামিয়া সারোয়াত চৌধুরী গৃহিণী এবং ছোট মেয়ে সিফাত আদিয়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করছেন।

পিবিআইয়ের তদন্তে অভিযুক্তরা

মন্তব্য