kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

সম্পাদকের কথা
দেখতে দেখতে

দশ বছর

ইমদাদুল হক মিলন

৯ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দশ বছর

এই সেদিন, ২০১০ সালে প্রকাশিত হলো কালের কণ্ঠ। দিনটি ছিল ১০ জানুয়ারি। এক ঐতিহাসিক দিন। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এই দিনে পাকিস্তানের কারাগার থেকে তাঁর স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু। আমরা কালের কণ্ঠ প্রকাশ করেছিলাম দিনটি মাথায় রেখে। এক পা-দুপা করে নয়টি বছর পার করল কালের কণ্ঠ। এ বছর পত্রিকাটির দশম জন্মদিন। জন্মদিন উপলক্ষে নানা আয়োজনের সঙ্গে নিজেদের নিয়ে ছোট্ট একটি আয়োজন করেছি আমরা। আয়োজনের নাম ‘কালের কণ্ঠ এক্সপ্রেস’। কালের কণ্ঠ’র কোন বিভাগ কী ধরনের কাজ করে, তার মোটামুটি একটি পরিচয় পাওয়া যাবে এতে। পাঁচ বছর পূর্তির সময় এ রকম একটি আয়োজন আমরা করেছিলাম। সেই সংখ্যাটি পাঠক পছন্দ করেছিলেন। আশা করি, এই সংখ্যাটিও তাঁদের ভালো লাগবে।

পত্রিকার শুরুর দিক থেকে অনেকেই আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তাঁরা কেউ কেউ এখন আর নেই। অন্যত্র চলে গেছেন। আবার অনেকে আমাদের সঙ্গে এসে যুক্ত হয়েছেন। আর আমরা কিছু কর্মী রয়ে গেছি। কাজ করতে গিয়ে আমাদের নানা রকমের অভিজ্ঞতা, ভালো লাগা, মন্দ লাগা এবং আনন্দ-বেদনার অনেক স্মৃতি। মানুষের জীবন এমন, সেই জীবনের সঙ্গে প্রতিদিন যুক্ত হয় কোনো না কোনো অভিজ্ঞতা, কোনো না কোনো ভালো লাগার ঘটনা, কোনো না কোনো মন খারাপের ঘটনা। সব মিলিয়েই মানুষের জীবন। কালের কণ্ঠ একটা পরিবার। এই পরিবারের আমরা যারা সদস্য, তাদের মূলমন্ত্র হচ্ছে আনন্দ নিয়ে যে যার কাজটি করা। আমরা গভীর আনন্দ নিয়ে পত্রিকাটির কাজ করি। পরিবারের সদস্যদের পরস্পরের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর। পত্রিকাটিকে আমরা আপন সন্তানের মতো ভালোবাসি। কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করেন, কালের কণ্ঠ’র সবচেয়ে বড় শক্তি কী? আমি বলব, পত্রিকাটির প্রতি আমাদের ভালোবাসা এবং মমত্ববোধ। আমরা প্রত্যেকেই মনে করি, কালের কণ্ঠ ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকব। সন্তান ভালো থাকলে মা-বাবা ভালো থাকেন। অন্যদিকে সন্তানকে ভালো রাখার দায়িত্বও মা-বাবার। আমরা কালের কণ্ঠকে ভালো রাখতে চাই। পত্রিকাটি যেখানে আছে, সেখান থেকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। সবার জন্য শুভ কামনা।

 

মন্তব্য