kalerkantho

অনিবার্য কারণে আজ শেয়ারবাজার প্রকাশিত হলো না। - সম্পাদক

অফলাইন

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়-আশয় নিয়ে নিয়মিত স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন পাঠক-লেখকরা। সেগুলোই সংগ্রহ করলেন ইমন মণ্ডল

১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৬ মিনিটে



অফলাইন

ব্যাচেলর লাইফ

ব্যাচেলর লাইফ মানেই অন্য রকম কিছু। এই লাইফে কত কী যে ঘটে। ব্যাচেলরদের মজার কিছু ‘গোপন কথা’ ।

* মেসে যখন রান্না হয় না, তখন ব্যাচেলররাই পাকা রাঁধুনি বনে যায়। তারা ঝটপট ডিম ভাজি, ডাল আর ভাত রান্না করে এমন ভাব করে খায়, যেন অমৃত খাচ্ছে।

* একটি ডিম ভাজি তিন ভাগ করে খাওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা শুধু ব্যাচেলরদেরই থাকে।

* মেসের ব্যাচেলরদের একজন কমন খালা থাকেন। এই খালা কমবয়সী কিংবা বেশি বয়সীই থাকেন না কেন, সবার কাছে তিনি ‘খালা’।

* প্রতিদিন সকালে খালার হাঁকডাকে ঘুম ভাঙে ব্যাচেলরদের। এই হাঁকডাক এ রকম হয়, ‘কী এক মেসে আমি রান্না করি রে বাবা। এটা থাকে না, সেটা থাকে না। একি জ্বালা।’ ‘আমি চলে গেলে কোন বেটি আইসা এই মেসে রান্না করে, দেখমু নে। আমার রান্না নাকি ভালা হয় না।’ ‘নবাবের পুতগুলা, এবার উইঠা পড়েন। মেসে যে বাজার নাই, সেদিকে একটু নজর দেন’ ইত্যাদি ইত্যাদি।

* ব্যাচেলররা এক কাপড় টানা তিন দিন পরতে পারে। এ ক্ষেত্রে দুর্গন্ধ দূর করতে সস্তা দরের বডি স্প্রেই তাদের ভরসা।

* বৃহস্পতিবার রাত মেসে থাকা ব্যাচেলরদের জন্য ‘ঈদের রাত’। কারণ, শুক্রবার ছুটি, কাজকর্ম নাই; অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমানো যায়। এই রাতে অনেক মেসেই ব্যাচেলর পার্টি হয়ে থাকে।

* মাসের প্রথম ভাগে ব্যাচেলরদের মনে অফুরন্ত ফুর্তি থাকে। কারণ, হাতে বেতনের টাকা থাকে। মাসের মধ্যভাগে ব্যাচেলররা মনস্থ করে, ‘টাকা তো শেষ হয়ে যাচ্ছে, হিসাব করে খরচ করতে হবে।’ মাসের শেষ ভাগে পকেটে ১০০ টাকা নিয়ে এক সপ্তাহ চালিয়ে দিতে পারে তারা।

* বাড়িওয়ালা যাতে বাসা ছাড়ার নোটিশ না দেয়, এ জন্য ব্যাচেলররা সকালে-বিকেলে নিয়ম করে বাড়িওয়ালাকে লম্বা সালাম দেয়।

* ব্যাচেলরদের জন্য বাসার পরম আরাধ্য স্থান হচ্ছে ছাদ। কারণ, বাড়িওয়ালা তাদের জন্য ছাদে ওঠা নিষিদ্ধ করে রাখেন। আর নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি তো বাড়তি টান থাকেই।

* একটি ছেলে যখন ব্যাচেলর থাকে, তখন ওই ব্যাচেলরজীবন নিয়ে সে হা-হুতাশ করতে থাকে। সেই ছেলে যখন ‘একা’ থেকে ‘দুকা’ হয়ে যায়, তখন ফেলে আসা ব্যাচেলরজীবনের জন্য হা-হুতাশ করে।

প্রসেনজিৎ

বিয়ের মেকআপ

আজকাল বিয়ের সময় মেয়েরা যেই পরিমাণ মেকআপ করে, নিজের চেহারাই বদলে ফেলে, তারা আজ থেকে ৫০ বছর পর নিজের বিয়ের ছবি খুঁজে না পেলেও ক্ষতি নেই। যেকোনো মেয়ের বিয়ের ছবি নিজের বলে চালিয়ে দিলে কেউ টের পাবে না! মেকআপের পর ওস্তাদ ধরে শেখা বিউটিশিয়ানের কল্যাণে সবার চেহারা যে একই রকম হয়ে যাচ্ছে!

রকিবুল হায়দার

 

ডিমের চিচিং ফাঁক

সাজ্জাদ হোসেন

হাট্টিমা টিম টিম, হাট্টিমা টিম টিম

ঘোড়ায় নাকি পাড়বে রে ভাই মস্ত বড় ডিম।

পিঠে নিয়ে পল, ছুটছে গাধার দল

ফেলছে ঘোড়ার আস্তাবলে, হতেই হবে ফল।

বাজল মাদল-ঢোল, উঠল খুশির রোল

ঘোড়ার ডিমের ভুনা হবে, সঙ্গে আলুর ঝোল।

কেউ বা মাজে দাঁত, কেউ বা ধোয় হাত

মিটবে খায়েশ গাধাগণের, আসল শুভ রাত।

‘চল রে সবে চল, আস্তাবলে চল’—

এই না বলে গেল ছুটে সকল গাধার দল।

খাচ্ছে ঘোড়ায় ঘাস, পুরে মনের আশ

ডিম না পেয়ে গাধারা সব করছে যে হাঁসফাঁস।

রাত পোয়ায়ে যায়, কিন্তু এ কী হায়!

ঘোড়ায় কেন দিচ্ছে না ডিম—এ যে ভারি দায়।

‘তবে কি সব ভুল, নাকি দিল গুল!’-

রাগে-শোকে গাধার দলে ছিঁড়ছে মাথার চুল।

‘শোন রে গাধা শোন, খাসনে মুখে চুন’—

বলছে ঘোড়া দাঁত খিঁচিয়ে, হচ্ছে হেসে খুন।

‘গাধা গাধাই থাক, দিসনে রে আর হাঁক

আমার ডিমের খোসার ভেতর কেবল চিচিং ফাঁক।’

 

এক লোক প্রায় দৌড়াতে দৌড়াতে কাপড়ের দোকানে ঢুকলেন

গ্রাহক : ভাই মসুর ডাল রান্নার পর যে কালার হয়, সেই কালারের কোনো কাপড় আছে?

দোকানদার : তা ওই কাপড় দিয়ে করবেন কী?

গ্রাহক : শার্ট বানামু। ভাই, খুব জ্বালায় আছি...

দোকানদার : কিসের জ্বালা?

গ্রাহক : প্রতিদিন অফিসে ভাত খাইতে বইলে ডালের ছিটা পড়ে...তাই...বুদ্ধিটা কেমন?

দোকানদার : বুদ্ধি ভালাই। তয় কাপড়টা কি লবণওয়ালা দিমু নাকি লবণছাড়া?

আবু হাসান

বক্তা-তক্তা

মাইক পেলেই যায় না হওয়া বক্তা,

ভেন্নাগাছের হয় না যেমন তক্তা।

নূর সিদ্দিকী

ফলোয়ার

ইচ্ছাগুলো জলপাইয়ের বিচির মতো। জানালা দিয়ে বাইরে ফেলতে চাইলে গ্রিলে আটকে যায়। আর যখন গ্রিলে আটকাতে চাই, তখন বাইরে চলে যায়!               শাকীর এহসানুল্লাহ

 

জনগণ

‘সর্বস্তরের জনগণ’ খুব খারাপ। এরা একসঙ্গে এক আসন থেকে ৫-১০ জনকে এমপি দেখতে চেয়ে পোস্টার সেঁটেছে।

নাজমুস সাকিব

 

ছেলেটি

এক মেয়ে প্রতিদিন কোচিং থেকে ফেরার সময় এক ছেলেকে তার বাড়ির সামনে অপেক্ষা করতে দেখত। আর এভাবেই দেখতে দেখতে প্রায় মাসখানেক কেটে গেল।

মেয়েটি বুঝতে পারল, ছেলেটি তার জন্যই প্রতিদিন কষ্ট করে অপেক্ষা করে। তাই মেয়েটিও ছেলেটির প্রতি দুর্বল হতে লাগল!

ছেলেটি মুখ ফুটে কিছুই বলত না, শুধু বাড়ির সামনে পায়চারি করত আর নয়তো ফোন হাতে নিয়ে সময় কাটাত। মেয়েটি বুঝতে পারল এই ছেলে লাজুক, তাই যা করার নিজেকেই করতে হবে!

একদিন মেয়েটি ছেলেটিকে গিয়ে বলল, ‘আর কত দিন এভাবে কাটাবে? বলো, তুমি কী বলতে চাও। আমি রাজি আছি।’

এ কথা শুনে ছেলেটির চোখেমুখে রাজ্য জয়ের ভাবমূর্তি ফুটে উঠল। আর সব ভয় জয় করে সে বলল, ‘আপা, আপনাদের বাড়ির ওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ড নেই, তাই ফ্রি ডাটা ইউজ করতে এখানে আসি। আপনাদের ওয়াই-ফাইয়ের স্পিড আরেকটু ফাস্ট করতে পারেন না? ভিডিও ডাউনলোড করতে দিলে অনেকক্ষণ দাঁডিয়ে থাকতে হয়!’

আনিসুর বুলবুল

 

 

আগে

আগে আমি অনেক বড়লোক ছিলাম। দিনে সাত-আটটা প্যান্ট পাল্টাতাম। তখন আমার বয়স ছিল ছয় মাস।

সালমান মো. আশরাফ

 

 

পার্থক্য

কেউ ব্রেকআপের পর নতুন রিলেশন করে; আর কেউ নতুন রিলেশন করার জন্যই ব্রেকআপ করে।

নাজমুল হোসেন

 

পানি

 

ফ্রিজে দুটি টমেটো বসে ছিল। একটা বলল, ওরে বাবা, কী ঠাণ্ডা! পাশের টমেটো আঁতকে উঠে বলল, বাপ রে বাপ, টমেটো কথা বলে!               মাসউদ আহমাদ

 

 

আপনার লেখা মজার স্ট্যাটাস অফলাইন পাতায় ছাপাতে চাইলে নাম-ঠিকানাসহ স্ট্যাটাসটি মেইল করুন ghorardim@kalerkantho.com-এই ঠিকানায়

মন্তব্য