kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

ব্যালাড

শিহাব সরকার

১১ জুন, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



বারবার সেই ঘাটে ফিরে আসা

নদী আছে বহমান, নদীরা থেকে যায়

রহস্যকুহেলির ভেতরে যে রকম—

মুখরা নারী, ঘুঁটেকুড়ুনি, রানিমাদের মন

এই সব নদী। ছোট ও বড়, পর্বতগুহা থেকে

বহে আসা। আমি আসি চেনা ঘাটে

কত কত যুগ পরে একদিন

 

নদী শুকিয়ে যায়, বুড়িয়ে যায়

তবু নদী মরে না কোনো দিন।

রমণীমনের গুপ্তগহন ঝোপে

ফুটে থাকে কত লাল নীল বনফুল,

কেউ কেউ ঘ্রাণ পেয়ে যায় স্বপ্নে তন্দ্রায়

তারপর বাকি কাল নিশিগ্রস্ত মানুষের বেশে

 

নদীতে লাশ, বানে ভাসা পাকা ধান

দুঃসময়ের ঝুলকালি এঁটোকাঁটা

 

আমি হারানো ঘাটে বসে দেখি জঞ্জাল

সিঁড়িতে বসে নদীর ব্যালাড শুনি,

নদী কাঁদছে, নারী কাঁদছে

 

কান্না কে না শোনে ভোরে ও সন্ধ্যায়

নারীর ভেতরে জলকেলি, নদী সমুদ্রসম্ভবা

নারী হারাতে পারে না বালুঝড়ে,

ঘাটের সিঁড়িতে নদীরা চুমু খায়।

মন্তব্য