kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

অবাক পৃথিবী

আলো জ্বালাতেই মাছের ঝাঁক

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আলো জ্বালাতেই মাছের ঝাঁক

মাছ ধরতে চাই জাল না হয় ছিপ। তাই বলে আলো? এটা কিন্তু নতুন কোনো আবিষ্কার নয়। অনেক অনেক আগে থেকে বুদ্ধিটা কাজে লাগাচ্ছেন জেলেরা। কীটপতঙ্গের মতোই আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয় মাছেরাও। আর এটাকেই কাজে লাগিয়ে জেলেরা মাছদের টেনে আনছেন এক জায়গায়। এরপর জাল ফেলতেই ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ।

তবে সমুদ্র ও বড় লেকগুলোতেই এ কৌশলটা কাজে লাগে। ধরা পড়ে হেরিং, স্প্র্যাট, সার্ডিনসহ নানা সামুদ্রিক মাছ। কারণ এরা বেশির ভাগ সময় জলের ওপর সাঁতরে বেড়ায়। এদের ধরাও সহজ।

আগের দিনের জেলেরা তেলের বাতি এবং মশাল ব্যবহার করতেন এ কাজে। আধুনিক জেলেরা ব্যবহার করেন ডিজেল জেনারেটরে চলা কড়া আলোর বৈদ্যুতিক বাতি। তাইওয়ানে গেলে এভাবে মাছ ধরার দৃশ্য নিয়মিত চোখে পড়বে। তাঁরা একটা বাঁশের লাঠির আগায় সালফার মিশিয়ে তাতে আগুন জ্বালিয়ে মশাল তৈরি করেন। তৈরি হয় উজ্জ্বল আলো। তাতেই ছুটে আসে মাছের ঝাঁক।

মোটামুটি শ তিনেক নৌকা তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব উপকূলের সাগরে যায় সার্ডিনের খোঁজে। এর মধ্যে শুধু কয়েকটা এখনো আলো দিয়ে মাছ শিকারের প্রথা ধরে রেখেছে। তাইপের উত্তরে জিনশানের মোটামুটি ৩০ জন জেলে এভাবে মাছ ধরছেন। মে থেকে জুলাই—এই তিন মাস সার্ডিনের মৌসুম। এ সময়ই পানিতে নামে আলো শিকারিরা। ভাগ্য ভালো থাকলে এক রাতেই তিন-চার টন সার্ডিন ধরেন তাঁরা।

মন্তব্য