kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

শুরুতে হাসো

৩০ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুরুতে হাসো

লেখা : সজল, আঁকা : মাসুম

দৌড়

বন্ধু-১ : আগামীকাল পাড়ার খেলায় আমাকে আম্পায়ারিং করতে হবে রে। কিন্তু আমি তো আম্পায়ারিংয়ের আ-ও বুঝি না। একটু বল তো, একজন বল নিয়ে দৌড়ায়, একজন ব্যাট হাতে দৌড়ায়, আরেকজন বল ধরতে দৌড়ায়, তো আমাকেও দৌড়াতে হবে?

বন্ধু-২ : না, না! তোকে শুধু খেলা শেষে দৌড়াতে হবে।

এলিয়েনের পৃথিবী দর্শন

পৃথিবী ভ্রমণ শেষে এক এলিয়েন গেল তার নিজের গ্রহে। সেখানে তাকে ঘিরে ধরেছে বাকিরা। নতুন গ্রহের গল্প শুনতে চায়। এলিয়েন তার গল্প বলতে শুরু করল।

এলিয়েন : সে এক আজব গ্রহ ভাই। গিয়েছিলাম ইয়া বড় এক প্রার্থনার ময়দানে। সম্ভবত কোনো গ্রহাণুর আঘাতে বিশাল সেই গোল সমতল ভূমিটা তৈরি হয়েছিল। একটু পর দেখলাম, সাদা কাপড় পরা দুই সাধু সেখানে বেশ ভদ্রোচিত ভঙ্গিতে দাঁড়ালেন। কোনো কথা বলেন না তারা। এরপর ময়দানে গেঁথে দেওয়া হলো দুইখানা ত্রিশূল। দুই পাশে দুটি। নিখুঁত মাপে লাগানো। বোঝোই তো, প্রার্থনা বলে কথা। কোনো ভুলচুক করা চলবে না। তারপর প্রার্থনা করতে এলেন আরো এগারো সাধু। তারা গোল হয়ে দাঁড়ালেন। এরপর আপাদমস্তক ঢেকে দুই পুরোহিত এলেন। তাঁরা চারপাশ ভালো করে দেখে নিলেন সবাই ঠিকঠাক দাঁড়িয়ে আছে কি না। তারপর এক সন্ন্যাসী দৌড়ে এসে সেই পুরোহিতকে একটা গোলাকার লাল অর্ঘ্য নিবেদন করলেন।

বাকিরা : তারপর! তারপর!

এলিয়েন : এত এত আয়োজন দেখে বৃষ্টিদেবতা কি আর নারাজ থাকতে পারেন! শুরু হলো ঝমঝম বৃষ্টি।

সংগ্রহ : আশিকুর রহমান

 

মন্তব্য