kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

অবাক পৃথিবী

পারলে আমায় ধরো

প্রাণিজগতে গতির দুনিয়ায় সেরা কারা? দেখে নাও এ তালিকা। লিখেছেন আশিকুর রহমান

৩০ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানুষ

গতির কথা এলে তাঁর নাম তো আসবেই। তিনি আমাদের জলজ্যান্ত সুপারহিরো—উসাইন বোল্ট। জ্যামাইকার এ অ্যাথলেটের আরেক নাম লাইটনিং বোল্ট। বিদ্যুত্ চমকের মতোই তাঁর ছুটে চলা। এক অলিম্পিকের তিন ইভেন্টে সোনা জেতা এ দৌড়বিদ ২০০৯ সালে বার্লিনে ৯ দশমিক ৫৮ সেকেন্ডে পাড়ি দিয়েছিলেন ১০০ মিটার। এখন পর্যন্ত মানুষের সর্বোচ্চ গতির রেকর্ড এটাই।

 

স্থলচর প্রাণী

স্থলে বাস করা প্রাণীর মধ্যে আবার উসাইন সাহেবকে বেশ ভালোভাবেই হারিয়ে দেবে আরেকটি প্রাণী। ওটা হলো চিতা। চারপেয়ে প্রাণীটার শরীরের কাঠামোটাই এমন—মনে হবে যেন একটা আস্ত ইঞ্জিন বসানো আছে। ছোট মাথা, কানও এমন যে এগুলো গতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। এ কারণেই প্রাণীটাকে ছুটতে দেখা গেছে ঘণ্টায় ১০৯ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে।

 

মাছ

প্রাণিজগতে গতির দুনিয়ায় চুপচাপ মাছেরাও কম যায় না। এর মধ্যে সমুদ্রের সেইলফিশ চাইলেই আমাদের দূরপাল্লার বাসগুলোর সঙ্গে টেক্কা দিতে পারবে। এগুলোর সর্বোচ্চ গতি রেকর্ড করা হয়েছে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। নীল ও ধূসর রঙা মাছগুলোর পিঠের কাছে নৌকার পালের মতো পাখা আছে। আছে সোর্ডফিশের মতো সরু ও লম্বা ঠোঁট। শিকার ধরার জন্য এরা দ্রুত ছুটে গেলেই হয়। লম্বা শক্ত ঠোঁটের আঘাতে সেইলফিশরা চাইলে ঘায়েল করতে পারে নিজের চেয়েও আকারে বড় কোনো মাছকে।

 

 

পাখি

গতির বিচারে অবশ্য প্রাণিকুলের মধ্যে পেরেগ্রিন প্রজাতির বাজপাখির ধারেকাছেও কেউ নেই। শিকারি পাখিটা যখন উড়তে উড়তে নিচের দিকে কোনাকুনি ডাইভ দেয়, তখন ওটার গতি ছাড়িয়ে যায় ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার। একটা বাজের সর্বোচ্চ গতি দেখা গেছে ঘণ্টায় ৩২২ কিলোমিটার পর্যন্ত।

 

মন্তব্য