kalerkantho

শনিবার । ২০ জুলাই ২০১৯। ৫ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৬ জিলকদ ১৪৪০

টিন তারকা

বাংলাদেশের নাম মহাবিশ্বে তুলে ধরব

বিজ্ঞাপন, নাটক ও মডেলিংয়ে সমান তালে প্রশংসা কুড়িয়েছে। সম্প্রতি অমিতাভ রেজা চৌধুরীর নতুন ছবি ‘রিকশা গার্ল’-এ শিশুশিল্পীও হয়েছে। টিন তারকায় হাজির ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির নাফিসা জারিন মৌমি

৩০ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশের নাম মহাবিশ্বে তুলে ধরব

শুরুটা কিভাবে?

আরো যখন ছোট ছিলাম, তখন থেকে গান, নাচ, অভিনয়ের শখ। গান দিয়েই শুরু। বিটিভিতে গানের অনুষ্ঠান করেছি। পরে অভিনয়ে আসা। সেটা অবশ্য ক্লাস ওয়ানে থাকতেই।

 

ওয়ানেই এত কিছু! এখন তো তোমার মঙ্গলে থাকার কথা!

হি হি হি। মাঝেমধ্যে যাই। মহাকাশ আমার প্রিয় বিষয় তো। চোখ বন্ধ করলেই গ্যালাক্সি দেখতে পাই।

 

তা ‘রিকশা গার্ল’ সিনেমায় তোমার চরিত্র কী?

এটা এখন বলব না! চমক থাক!

 

তোমার অভিনয় দেখে বাবা কী বলেছেন?

আমার অভিনয় অনেক ভালো লেগেছে। বলেছেন, অভিনয় চালিয়ে যেতে হবে। কোনো থামাথামি নেই।

 

তাহলে তো তুমি এখন ব্যস্ত অভিনেতা...।

এখন বাবা থাকে বাসায়-এর দ্বিতীয় সিজনের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত। পাশাপাশি আমি একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি। ওটা নিয়েও কাজ করছি। আমার চ্যানেলের নাম দ্য সিবলিংস। এর ফাঁকে পড়ালেখা তো আছেই। হাতে নতুন কাজ বলতে একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও দুরন্ত টিভির ‘রঙের খেলায় সুরের ভেলায়’ শোতে কাজ করেছি। সামনে পরীক্ষার জন্য কয়েকটা কাজ অবশ্য করা হচ্ছে না।

 

শুটিংয়ের ঘটনা?

অমিতাভ আংকলের রবির টিভিসির সময় পায়ে সত্যিকারের প্লাস্টার করতে হয়েছিল। হরলিকসের বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়লে এখনো শীত লাগে। ছিল শীতকাল। শুটিং হয়েছিল পাবনায়। এত শীতের মধ্যে আমাকে পুকুরে ঝাঁপাঝাঁপি করতে হয়েছিল। কাদায় পড়ে যেতে হয়েছিল বারবার। তার মধ্যে আবার নকল বৃষ্টিতে বানানো হয়েছিল। তাতে ভিজে ভিজে ফুটবল পর্যন্ত খেলেছি।

 

আর কী করো?

একটু-আধটু লেখালেখি, গিটার বাজানো, স্কেটিং, সুইমিং করি। ছায়ানটে গান আর শিশু একাডেমিতে নাচ ও ড্রয়িং শিখি। মাঝেমধ্যে নতুন নতুন খাবার রান্নাও করি। প্রতিদিন নতুন কিছু না করলে ভালোই লাগে না।

 

হলিউড থেকে ডাক পেলে কী করবে?

সবার আগে পারিশ্রমিক দ্বিগুণ করে দেব। বেশি বেশি পারিশ্রমিক মানে বেশি বেশি চকোলেট।

 

টিভিতে কী দেখো?

নাচ, ক্রাফট আর মহাকাশের ভিডিও দেখি। তা ছাড়া নিজের কাজ দেখি। কোথাও কোনো ভুল হলো কি না।

 

বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিতে গেলে কী করবে?

সবার হাতে একটা করে চায়ের কাপ ধরিয়ে দেব। তারপর সেগুলো বাজাতে বাজাতে স্লোগান দেব—তোমার কাপ আমার কাপ, বিশ্বকাপ বিশ্বকাপ!

 

বড় হয়ে আর কী কী হতে ইচ্ছা করে?

ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা আছে। আবার নভোচারীও হবো। চাইলে দুটো একসঙ্গেই হওয়া যায়। নভোচারী হয়ে বাংলাদেশের নাম মহাবিশ্বে তুলে ধরব।

সাক্ষাত্কার : গোলাম মোর্শেদ সীমান্ত

মন্তব্য