kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

শরীর ও মন

ঠিকঠাক দম নিতে

গরমটাকে বাগে আনতে না পারলে অনেকেরই বারোটা বাজবে বৈশাখে। বিশেষ করে যারা শ্বাসকষ্টে ভুগছ। এ নিয়ে তোমাদের জন্য জরুরি কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি), ঢাকার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ মোনাওয়ার আলী

৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঠিকঠাক

দম নিতে

মডেল লাবন্য ছবি ফারহান নাসের

শ্বাসকষ্ট শুনলেই অনেকে মনে করো এটা ফুসফুসের রোগ। সব সময় যে রোগের কারণেই শ্বাসকষ্ট হবে, তা নয়। এ সময়টায় ধুলার পরিমাণ বেশি থাকে বলেও অনেকে উটকো এ ঝামেলায় পড়তে পারো। পহেলা বৈশাখের দিন তো বাতাসের আর্দ্রতাও কমে যায় অনেক। ধূলিকণারাও সোল্লাসে ভেসে বেড়ায়। আর সেটা ফুসফুসে গিয়েই তোমার মজার বৈশাখকে করে দিতে পারে শয্যাশায়ী।

 

♦    ভাপসা গরমে যারা শ্বাসকষ্টে পড়ে যাও, তারা বাইরে বের হলে ভালো মানের সার্জিক্যাল মাস্ক পরে নেবে। আশপাশে কাউকে ধূমপান করতে দেখলে যথেষ্ট দূরে থাকবে। অথবা তাকে সরাসরি বলে দেবে, ভাই আমার ফুসফুসে কঠিন সমস্যা, জলদি করে সিগারেটটা ফেলুন, নইলে পরে হসপিটালে টানাটানি...। তোমার কথা শেষ করার আগেই দেখবে, লোকটা হয় সিগারেট ফেলে দেবে, না হয় হনহন করে হাঁটা দেবে।

♦    বৈশাখের প্রস্তুতি হিসেবে ঘর পরিষ্কারে নেমে পড়ো। পরিবেশ যেন আর্দ্র না থাকে। আশপাশটা সবুজ রাখার চেষ্টা করো। ধুলাবালি ঝেড়ে পরিষ্কার করো। ধুলা ঝাড়ার সময় অবশ্যই মাস্ক পরে নেবে। তাহলে বৈশাখের আগে সর্দি-কাশিতে পড়ে ঘরেই কাটাতে হবে দিনটা।

♦    গরমের এ সময় খাবারের রুটিনে বেশি করে ফল, সবজি ও বাদাম যোগ করো। ফলে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে, যা শ্বাসকষ্ট কমাতে সাহায্য করে। ভিটামিন ‘সি’ও এ কাজে বেশ উপকারী। গলায় খুসখুসে ভাব মনে হলে মধু খেলে উপকার পাবে। গরমের দিনে হুট করে বেশি ঠাণ্ডা পানি খাবে না। এটা একেবারেই না খেলে আরো ভালো।

♦    যারা অ্যাজমায় ভুগছ তারা বাইরে বের হলে, বিশেষ করে পহেলা বৈশাখের দিন সঙ্গে অবশ্যই ইনহেলার রাখবে। খাবারেও সতর্ক হতে হবে। অনেকের ক্ষেত্রে ইলিশ মাছ, চিংড়ি, গরুর মাংস, দুধ, মিষ্টি কুমড়া, কচু, বেগুন—এসব খাবার অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্ট ডেকে আনে। বৈশাখের আনন্দ মাটি করতে না চাইলে এগুলো এড়িয়ে চললেই ভালো।

♦    পহেলা বৈশাখ মানেই কিন্তু প্যাচপেচে গরম আর ঘেমে অস্থির হওয়ার দিন। তাই কড়া পারফিউম ব্যবহার ও গন্ধযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকো। এতেও অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে।

 অনুলিখন : জুবায়ের আহম্মেদ

মন্তব্য