kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

ঝটপট

আলো ছড়াক ফুলদানিটা

ঝলমলে ফুলদানিটা দেখেই লোভ লাগছে? ডাইনিং টেবিল বা পড়ার টেবিলে এমন একগুচ্ছ জীবন্ত রং থাকলে পড়াশোনায় মন বসবেই! ঝলমলে ফুলদানি বানানোর ধাপগুলো জানাচ্ছেন নূসরাত জাহান

৭ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




আলো ছড়াক ফুলদানিটা

দেখতে খুব সোজা-সাপটা হলেও এ ফুলদানির বিশেষত্ব হলো রঙের ব্যবহারে। উজ্জ্বল রং ও বাহারি ফুল; সব মিলিয়েই আলো ছড়াবে এটা।

টিনের ক্যানে প্রথমে আঠা লাগিয়ে সাদা কাগজ বা তুলি দিয়ে লাগিয়ে নিতে পারো সাদা অ্যাক্রিলিক রং। রং শুকিয়ে এলে রঙিন কাগজের স্ট্রিপ লাগাতে হবে। এ ক্ষেত্রে উজ্জ্বল গোলাপি, আকাশি নীল ও লেমন ইয়েলোকে প্রাধান্য দিতে পারো। টিনের ক্যানের নিচে পানি নিষ্কাশনের জন্য ফুটো করতে হবে। এরপর ক্যানগুলোতে জৈব মাটি ভরে তাতে পছন্দের গাছ বা কাণ্ডসহ ফুল লাগিয়ে নাও।

নিজের বেইসটা তৈরি করতে এখানে ব্যবহার করা হয়েছে চার-পাঁচটি সোনালি এমব্রয়ডারি হুক। সেলাইয়ের জিনিসপত্র যেখানে বিক্রি হয়, সেখানেই পাবে এটা। এই হুকগুলো জুড়ে দেওয়া হয়েছে গ্লু গান দিয়ে। এরপর চাকতিগুলো বসিয়ে দাও গোল করে কাটা ফোমের টুকরোটির ওপর। টিনের ক্যানগুলো আবার জুড়ে দিতে যেয়ো না। কারণ যখন গাছগুলোতে পানি দেবে, তখন টিনের ক্যানগুলো সরিয়ে পানি দিতে হবে। পানি পুরোপুরি ঝরে গেলে আবার প্লেটের ওপর বসাতে হবে। ছবিতে যে ফুল দেখানো হয়েছে, সেগুলো জৈব মাটিতে সরাসরি ডালসহ পুঁতে দেওয়া। এতে নিয়মিত পানি স্প্রে করলে ফুলগুলো তাজা থাকবে অনেক দিন। এরপর আবার নতুন ফুল রোপণ করে দিতে পারো। এ ছাড়া চাইলে টিনের ক্যানে লাগিয়ে দিতে পারো ক্যাকটাস, পুদিনা বা মানিপ্লান্টের মতো গাছ। তবে সাধারণ যেনতেন মাটি ব্যবহার না করাই ভালো। আজকাল অনলাইন নার্সারিগুলোতে খোঁজ নিলেই পাবে বিশেষভাবে তৈরি পটিং মিক্স বা জৈব মাটি।

 

যা যা লাগবে

♦ একই আকৃতির বেশ কিছু টিনের ক্যান। কোমল পানীয়র ক্যানও ব্যবহার করতে পারো।

♦ রঙিন আঠাযুক্ত কাগজ বা স্টিকার।

♦ সোনালি রঙের এমব্রয়ডারি হুক বা সোনালি রং করা চাকতি।

♦ গ্লু গান

♦ চাকতির মাপে গোল করে কেটে নেওয়া ফোম।

♦ জৈব মাটি

♦ ক্যাকটাসজাতীয় ইনডোর প্লান্ট বা কাণ্ডসহ কেটে নেওয়া বাহারি ফুল

মন্তব্য