kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

টিন তারকা

‘ওরকম কিছু হলে মেটাল রক গাইতে শুরু করব’

তোমাদের প্রশ্ন পড়শীর উত্তর

৭ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘ওরকম কিছু হলে মেটাল রক গাইতে শুরু করব’

গায়িকা না হলে কী করতেন?—মারিন উল ইসলাম

পড়শী : গায়িকা না হলে গুড ফর নাথিং হতাম। গানটাই একটু-আধটু যা পারি। তবে ছোটবেলায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও নভোচারী হওয়ার স্বপ্ন ছিল। তার জন্য সায়েন্সে পড়তে হতো। কিন্তু আমি জীবনে একবারই অঙ্কে হায়েস্ট মার্ক পেয়েছিলাম ১০০তে ১০!

 

যদি দেখেন, হোয়াইট হাউসে বসে আপনার গানের তালে ডোনাল্ড ট্রাম্প মাথা দোলাচ্ছে, তবে কেমন লাগবে?—সিলিয়া বাশার

পড়শী : ওহ! আই ক্যান’ট ইমাজিন দ্যাট। ভালোই লাগবে। জানতে চেষ্টা করব, আমার কোন গানে মাথা দোলাচ্ছিলেন ট্রাম্প মশাই।

 

মশাও গুনগুন করে, আপনিও নিশ্চয়ই গুন গুন করে গেয়েছেন। মিল কোথায়?—ফয়সাল উদ্দিন দোলন

পড়শী : মশারাও রাত জাগে, আমিও রাত জাগি। কাজ না থাকলে সারা দিন ঘুমাই। রাতেই আমার মাথা থেকে কাজের চিন্তাগুলো বের হয়। গান লেখা, সুর করা, গান নিয়ে কোনো পরিকল্পনা—সবই রাতে। ভোর ৬টা পর্যন্ত জেগে থাকি। এ জন্য রাতে মশাদের সঙ্গে খুব দেখা হয়!

 

একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখলেন, আপনার কণ্ঠে অবিকল আরেকজন গান গাওয়া শুরু করেছে, কী করবেন?—লামিয়া আফরোজ রিহা

পড়শী : ওকে বলব, আজকে আমি শোতে যাব না। তুমি আমার হয়ে শোতে যাও। অবশ্যই বোরকা পড়ে যাবে, যাতে তোমার মুখ কেউ না দেখে।

 

শ্রোতার কাছ থেকে পাওয়া সবচেয়ে মজার মন্তব্য কী?—রুবায়েত নীল

পড়শী : মজার মন্তব্য প্রতিদিনই চেঞ্জ হতে থাকে। ইনস্টাগ্রাম কিংবা ফেসবুকে যখন ছবি আপলোড করি, তখন অনেকেই জানতে চায়, আপু তুমি এত শুকায়া গেছ কেন? শুকনার অনেক সংজ্ঞাও দেয়—পাটকাঠি, শলাকাঠি! মোটা হলেও একই রকম প্রতিক্রিয়া।

 

যদি কখনো ঘুম থেকে উঠে দেখেন যে গলা দিয়ে ভয়ানক বেসুরো গান বের হচ্ছে, কী করবেন?—আহনাফ আবিদ সিয়াম

পড়শী : এটা মাঝখানে হয়েছিল আমার। ঠাণ্ডা লেগেছিল। মনে হয়েছিল আমার কণ্ঠে তিনজন কথা বলছে। ওরকম কিছু হলে মেটাল রক গাইতে শুরু করব। গান গেয়েই যাব। থামব না।

 

একটা মজার ঘটনা শুনি।—মুনিয়া রহমান

পড়শী : উল্লেখযোগ্য কোনো মজার ঘটনা নেই, যেটা পড়ে বা জেনে পাঠকরা মজা পাবেন বা হেসে গড়াগড়ি খাবেন। তাই কিছু না বলাই উত্তম।

 

অঙ্ক স্যার ভীষণ রাগী। এদিকে আপনি হোমওয়ার্ক আনতে ভুলে গেছেন। কিন্তু স্যার আবার গানপ্রিয় মানুষ। এখন স্যারকে ঠাণ্ডা করতে কী গান গাইবেন?—জুবায়ের কামাল

পড়শী : এটা সব সময়ই হতো আমার। আমাদের অঙ্ক পড়াতেন ইকবাল স্যার। আমার হোমওয়ার্ক না পেয়ে নানুকে ডেকে নিয়ে অভিযোগ দিতেন। স্যারের প্রচুর ঝাড়ি খেয়েছি। কিন্তু গান শুনিয়ে তাঁর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার সুযোগ পাইনি। তবে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি নামে কোনো গান থাকলে সেটাই হয়তো গাইব। যদিও এ রকম কোনো গান নেই। তবু তাত্ক্ষণিক এ রকম একটা গান লিখে তাঁকে শোনাতাম।

সংকলন : আতিফ আতাউর

 

মন্তব্য