kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বই দেখেছি। English Grammar-এর বেসিকে জোর দিয়েছি

৩-৪ মাসের প্রস্তুতিতে নিয়োগ পরীক্ষায় টিকেছি

—২০১৫ সালের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত।
—সহকারী শিক্ষক, ১২ নম্বর মহিষেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদারীপুর।

৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৩-৪ মাসের প্রস্তুতিতে নিয়োগ পরীক্ষায় টিকেছি

শ্রাবণী বিশ্বাস

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষার আগে প্রস্তুতির জন্য তিন-চার মাসের মতো সময় পেয়েছি। প্রথমেই বিগত কয়েক বছরের প্রশ্নপত্র দেখে নিই, এর ওপর ভিত্তি করেই প্রস্তুতির ছক করেছি।

 

কিছু কিছু প্রশ্ন ঘুরে-ফিরে প্রায়ই আসে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের গণিত, বাংলা দ্বিতীয় পত্র বই দেখেছি। প্রথম-নবম শ্রেণির বাংলা বইয়ের কবি পরিচিতি; English Grammar, Preposition, Voice Change, Phrase, Idiom-এর বেসিকে জোর দিয়েছি। পঞ্চম শ্রেণির পরিবেশ পরিচিতি (বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়) বই থেকে মুক্তিযুদ্ধ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্পর্কিত খুঁটিনাটিগুলো পড়েছি। বইয়ে উল্লিখিত মুদ্রা, প্রণালী, সদর দপ্তর, সম্মেলন সংশ্লিষ্ট তথ্যও বাদ দিইনি। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য সংবাদমাধ্যমগুলোতে নিয়মিত চোখ রেখেছি।

 

প্রস্তুতিমূলক বইয়ের তালিকায় ছিল—জব সলিউশন (প্রশ্ন ব্যাংক), A Handbook on English Literature, বিসিএস বিশেষ সংখ্যা, প্রফেসরস গণিত ইত্যাদি। জব সলিউশনের প্রশ্নপত্র দেখে বাসায় ঘড়ি ধরে নিজে নিজে মডেল টেস্ট দিই। এর ফলে পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভালোভাবে উত্তর করতে পেরেছি।

 

লিখিত পরীক্ষায় ৮০-এর মধ্যে অন্তত ৬০ পাওয়ার টার্গেট নিই। ভাইভায় ২০-এ ১০-১২ তোলা ব্যাপার না! অর্থাৎ সব মিলে ৭০ পেলে পরীক্ষায় টিকব ভেবেছিলাম। বাস্তবে তা-ই হলো।

মন্তব্য